• মমতার প্রচার বন্ধের আরজি, কমিশনের দরবারে বিজেপি, ভয় পেয়ে এমন পদক্ষেপ: তৃণমূল
    বর্তমান | ৩১ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নির্বাচনি প্রচারে দিনকয়েক আগে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলার সবক’টি বিধানসভা আসনে তিনিই দলের প্রার্থী। তা মাথায় রেখেই যেন বাংলার মানুষ ভোট দেন। এই ঘোষণায় কি সুঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি? প্রশ্ন উঠছে, কারণ সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনি প্রচার বন্ধের আর্জি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। কিরেন রিজিজু, পীযূষ গোয়েল, সুকান্ত মজুমদারদের মতো একঝাঁক কেন্দ্রীয় নেতামন্ত্রী এদিন কমিশনে যান। তাঁদের অভিযোগ, বাংলার নির্বাচনি প্রচারে সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। এপ্রসঙ্গেই বিজেপি শিবির এদিন দাবি করেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করুক জাতীয় নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি এদিন বিজেপি জাতীয় নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছে, রাজ্যের পুলিস-প্রশাসন তার কর্তব্য ঠিকমতো পালন করছে না। সেই কারণে বিশেষত রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে আরও বেশি করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হোক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়াকেই কবজা করে নিতে চাইছে। বালুরঘাটের সাংসদ কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, তৃণমূল নেত্রী যেভাবে ভোট প্রচার করছেন, তা ভোটারদের ভয় দেখানোরই শামিল। আমরা সব তথ্যপ্রমাণ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছি। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয় পেয়েই এসব করছে তৃণমূল। ভয় দেখিয়ে, সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে কোনো লাভ হবে না। এপ্রেক্ষিতে অবশ্য গেরুয়া শিবিরকে কার্যত তুলোধনা করেছে রাজ্যের শাসক দল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার বন্ধ করে বিজেপি কি আদৌ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দমিয়ে রাখতে পারবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্থান মানুষের হৃদয়ে। ২০২১ সালে বিজেপির অশ্বমেধের ঘোড়া রাজ্যে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। বিজেপি জানে, এবার ওদের ফল আরও খারাপ হবে। তাই ভয় পেয়ে এমন পদক্ষেপ করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার বন্ধ হলে আদতে সেটা বিজেপির জন্যই অত্যন্ত খারাপ হবে। সেটা সামলাতে পারবে না বিজেপি।
  • Link to this news (বর্তমান)