• 'বৃষ্টিভেজাদের বসান ছাউনিতে', অভিষেককে স্বাগত করতালিতে
    এই সময় | ৩১ মার্চ ২০২৬
  • এই সময়, পুরুলিয়া: আকাশে মেঘ জমতে শুরু করেছিল অনেক আগে থেকে। বাঘমুন্ডি বিধানসভার ইচাগ কেন্দুয়াডি ১০৮ কুঞ্জ ময়দানে তখন থিকথিকে ভিড়। আকাশের মেঘ দেখে চিন্তার ভাঁজ তৃণমূলের নেতাদের কপালে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টার কি নামতে পারবে?

    সংশয় কাটল দুপুর আড়াইটে নাগাদ। অভিষেকের কপ্টার যখন সভার মাঠে নামে, তখন হাওয়ার বেগ অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। সঙ্গে হাল্কা বৃষ্টিও। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগও থামাতে পারেনি মাঠে আসা বিশাল জনতার আবেগকে। কিন্তু হেলিকপ্টার থেকেই বিষয়টি দেখেন অভিষেক। কপ্টার থেকে সভাস্থলে চলে আসেন। বৃষ্টির তেজ বাড়তেই নিরাপত্তারক্ষীদের নির্দেশ দেন, সভায় আসা মানুষদের বসাতে হবে ডি-জোনে। তাঁর সেই ঘোষণাকে স্বাগত জানানো হয় তুমুল হর্ষধ্বনিতে।

    তবে শুধু সেই সময়েই নয়। এ দিন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ভাষণে বার বার জনতা মাতে জয়োল্লাসে। রাজনৈতিক বক্তব্যের ফাঁকেই বার বার তাঁর মুখে উঠে এসেছে মাটির কথা। উঠেছে পুরুলিয়ার মুখোশ-গ্রাম চড়িদার কথা। অভিষেক যখন জানান, মুখোশ শিল্পীদের জন্য আলাদা করে মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি হবে জেলা পরিষদের উদ্যোগে, সভায় হাজির জনতা ফের হাততালি দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।

    আড়শা-সহ পুরুলিয়া জেলার বিস্তীর্ণ জায়গায় টম্যাটো চাষ নিয়েও এ দিন বার্তা দেন তিনি। জানান, আড়শা এলাকায় কোল্ড স্টোরেজ তৈরি হবে। তা হলে টোম্যাটো আর নষ্ট হবে না। পুরুলিয়া জেলা তথা বাঘমুন্ডি এলাকায় রাজ্য সরকারের উন্নয়ন এবং এখানে সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত তথ্যও দেন।

    সভার পরে ছৌ-মুখোশ শিল্পী রাকেশ সূত্রধর, বনমালী সূত্রধররা বলেন, 'একটি মার্কেট কমপ্লেক্স হলে ছৌ মুখোশের বিক্রি অনেক বাড়বে। বহু পর্যটক আসেন চড়িদায়। সারা বছরই ভিড় লেগে থাকে।' বিজেপি শিবির থেকে পাল্টা কটাক্ষ করে বলা হয়েছে, এত দিন কেন ছৌ মুখোশের বিপণন কেন্দ্র তৈরি করা গেল না

  • Link to this news (এই সময়)