নয়াদিল্লি: ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার। তারপর জামিনে মুক্তি পেয়ে পুরোপুরি আন্ডারগ্রাউন্ড। এভাবে গা ঢাকা দিয়ে জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তোইবার হয়ে নাশকতার ছক কষে যাচ্ছিল সাবির আহমেদ লোন। সম্প্রতি তার ঠিকানা ছিল বাংলাদেশে। ঢাকায় বসে লস্করের হ্যান্ডলারের কাজ করছিল এই জঙ্গি। অবশেষে শিকে ছিঁড়ল। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করল সাবিরকে। এজন্য স্পেশাল সেল দীর্ঘ দু’মাসের অপারেশন চালিয়েছে। ফোন রেকর্ড ও ট্র্যাকিং থেকে শুরু করে সিগন্যাল ইন্টারসেপ্ট। সাবিরের গতিবিধির উপর কড়া নজর রেখেছিল পুলিশ। সেই চেষ্টায় মিলল সাফল্য। জানা যাচ্ছে, ২০১৯ সালে সাবির দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে চলে গিয়েছিল। একসময়ের এই লস্কর অপারেটিভ হয়ে উঠেছিল হ্যান্ডলার। এরমধ্যে দিল্লি ও কলকাতাতেও কয়েকবার এসেছিল সাবির। দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি শ্রীনগরের গোয়েন্দা বিভাগও সাবিরের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। শ্রীনগর, গান্ধেরবাল ও সোপিয়ানে অন্যান্য হ্যান্ডলারদের জেরা করে সাবিরের খোঁজ মেলে। বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাবিরকে।