• আগে বালুচরি শাড়ি একটু খড়খড়ে ছিল, আমি ক্ষমতায় আসার পরে...: মমতা
    এই সময় | ৩১ মার্চ ২০২৬
  • বিষ্ণুপুরে ভোট প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে শোনা গেল বালুচরি শাড়ির ভূয়সী প্রশংসা। বালুচরি শাড়ির ধরন বদলানোর গল্পও বললেন তৃণমূল নেত্রী। ভোটের প্রচারে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-পর্যটনের সঙ্গে উঠে এল বিষ্ণুপুরি বালুচরি এবং বিষ্ণুপুরি ঘরানার সঙ্গীতের প্রসঙ্গও।

    ৩০ মার্চ বিষ্ণুপুর হাইস্কুল ময়দানের সভা থেকে মমতা বলেন, ‘বালুচরি জিআই প্রোডাক্ট পেয়েছে আমাদের সময়ে। আগে বালুচরি শাড়ি একটু খড়খড়ে ছিল। আমি ক্ষমতায় আসার পরে একদিন বললাম, তোমরা এটা একটু নরম কর। যে ফাইবার ব্যবহার করো, সেটা একটু নরম করো। আজকালকার মেয়েরা খড়খড়ে শাড়ি নয়, একটু নরম ও মোলায়েম শাড়ি পরতে পছন্দ করে। দুনিয়া বদলাচ্ছে, অনেক কিছু বদলাচ্ছে।’ তিনি তাঁর শাড়ি নিজেই ডিজাইন করে তাঁতিদের দেন বলে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    তৃণমূলের আমলে বিষ্ণুপুরি বালুচরি অনেক বেশি প্রচার পেয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিশ্ববাংলার সব দোকানে, বাংলার হাটে, সৃষ্টিতে, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মেলায় বিষ্ণুপুরী বালুচরি পাওয়া যায় বলে জানালেন মমতা। শুধু মেয়েদের জন্যই নয়, ছেলেদের জন্য বালুচরি সিল্কের পাঞ্জাবি-জামাও পাওয়া যায়। আর এসব বিদেশে গেলে উপহার দেন বলে জানালেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এখন বিদেশে গেলে সঙ্গে করে বালুচরি শাড়ি নিয়ে যাই। ডোকরার শিল্পকর্ম নিয়ে যাই, উপহার দেওয়ার জন্য।’

    মমতার বক্তব্যে উঠে এসেছে বিষ্ণুপুর ঘরানার সঙ্গীতের নাম। তিনি বলছেন, ‘বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুর মন্দিরের ঘরানা, সঙ্গীতের ঘরানা...বিষ্ণুপুরে সারা পৃথিবী থেকে মানুষ আসেন। সেই কারণেই পর্যটনের উন্নতি করতে নজর দেওয়া হয়েছে। পরিকাঠামোর উন্নতি করা হয়েছে।’ বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুরের প্রাচীন প্রত্নতত্ত্ব ও পুঁথি সংস্কার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষ্ণুপুরে মার্কেটিং হাব তৈরি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

  • Link to this news (এই সময়)