শুভেন্দুর নামে কত মামলা ও কী কী? ২০ পাতাজুড়ে যা যা উঠে এল
আজ তক | ৩১ মার্চ ২০২৬
সোমবার নন্দীগ্রাম আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের নিশ্চিত জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা। সোমবার দেওয়া হলফনামায় তাঁর বিরুদ্ধে বিচারাধীন ২৫টি ফৌজদারি মামলার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন শুভেন্দু। প্রসঙ্গত, ২০১৬ ও ২০২১ সালের পর এবার ফের নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে বড় ফারাক রয়েছে এ বার।
শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ২৫টি মামলা
গত ৫ বছরে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। একাধিকবার শুভেন্দু নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। একাধিকবার তাঁকে কোর্টে যেতে হয়েছে। ২০২১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্য পুলিশের অধীনে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে রয়েছে ২৫টি ফৌজদারি মামলা। কলকাতা হাইকোর্টে সম্প্রতি এমনই একটি রিপোর্ট জমা দেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। শুধু তাই নয়, এর আগেও কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, কলকাতা পুলিশের আওতায় ৭ টি ফৌজদারি ধারায় মামলা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। হলফনামায় নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার কথা মেনে নিয়েছেন শুভেন্দুও। হলফনামায় মানহানি, অর্থ পাচার, শত্রুতা উস্কে দেওয়া এবং দাঙ্গার মতো ফৌজদারি মামলার উল্লেখ রয়েছে। এই সমস্ত মামলা ২০২১ সালের পরের, যখন শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন।
মামলার তালিকা ও এই অভিযোগগুলো অন্তর্ভুক্ত:
শুভেন্দু বলছেন
আজতকের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মনোনয়নপত্র দাখিল করার সময় তিনি তাঁর হলফনামায় নিজের বিরুদ্ধে বিচারাধীন ২৫টি ফৌজদারি মামলার তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এগুলো সবই সাজানো ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। তিনি তাঁর হলফনামায় এও জানিয়েছেন যে, তিনি কোনও ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হননি।
তবে, শুভেন্দু অধিকারী তাঁর হলফনামায় ঘোষণা করেছেন, তিনি কোনও মামলাতেই দোষী সাব্যস্ত হননি। দায়ের করা মামলার অধিকাংশই গ্রামীণ নির্বাচনী এলাকা ও জেলাগুলিতে। শহুরে নির্বাচনী এলাকাগুলিতে তুলনামূলকভাবে কম মামলা রয়েছে। তাঁর মনোনয়ন হলফনামায় শুভেন্দু নিজেকে একজন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর আয়ের উৎস হিসেবে বিধায়ক বেতন, সাংসদ পেনশন ও ব্যবসাকে তালিকাভুক্ত করেছেন—আয়কর রিটার্নে ঘোষিত তাঁর মোট বার্ষিক আয় ১৭,৩৮,৫০০ টাকা। উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে লোকসভার সাংসদ ছিলেন এবং তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের অংশ হিসেবে পরিবহন ও সেচ দফতরের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।