শিয়ালদহে ডিভিশনে চালু হলো মাল্টি-মোডাল কার্গো টার্মিনাল। কেন্দ্রীয় সরকারের গতি শক্তি প্রকল্পের আওতায় কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের সারগাছি স্টেশনের পাশেই বসানো হয়েছে আকাশছোঁয়া সাইলো। তৈরি হয়েছে কার্গো টার্মিনাল। মঙ্গলবার তারই উদ্বোধন হলো। এর ফলে খাদ্যশস্য এবং অন্য পণ্য খুব দ্রুত এবং সহজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
তবে সারগাছির এই কার্গো টার্মিনাল মূলত খাদ্যশস্য সংরক্ষণ এবং পরিবহণের জন্যই তৈরি করা হয়েছে বলে ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। ইন্ডিয়ান ফুড কর্পোরেশনের জন্য গম বোঝাই মালবাহি ট্রেন আনা হবে এখানে। তার পরে তা সংরক্ষণ করা হবে সাইলোতে। তার পরে প্রয়োজন মতো পৌঁছে দেওয়া হবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রতি মাসে গম বোঝাই দুই থেকে তিনটি রেক পরিচালনা করার মতো ক্ষমতা রয়েছে সারগাছির কার্গো টার্মিনালের।
কার্গো টার্মিনালে বসানো হয়েছে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বিশালাকার সাইলো। ধান, গম, ভুট্টা বা অন্য খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করার জন্যই এই বিশালাকার সাইলোগুলি বিশেষ ভাবে তৈরি। এখান থেকেই খাদ্যশস্য লোডিং এবং আনলোডিং করা হবে। স্টেশন থেকে টার্মিনাল পর্যন্ত গম বা অন্য পণ্য নিয়ে যাওয়া এবং নিয়ে আসার জন্য ফি-ও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। টার্মিনালের দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে LEAP এগ্রি লজিস্টিকস (মুর্শিদাবাদ) প্রাইভেট লিমিটেড।
পরিবহণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে এক সুতোয় বাঁধতে গতি শক্তি প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যাতে পণ্য এবং তার পরিবহণের মধ্যে ভারসাম্য থাকে। সময় কম লাগে। খরচও কম হয়। সেই লক্ষ্যেই দেশ জুড়ে একাধিক কার্গো টার্মিনাল তৈরির কাজ চলছে জোরকদমে। সারগাছির কার্গো টার্মিনাল তৈরির ফলে মুর্শিদাবাদ জেলার খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।