• এসআইআর: আজ সুপ্রিম শুনানি, ভোটার তালিকা ফ্রিজ করা নিয়ে সিদ্ধান্ত? ‘বিচারাধীন’ ষষ্ঠ অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ
    বর্তমান | ০১ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিচারাধীন ভোটারদের একের পর এক তালিকা প্রকাশ হচ্ছে। তবে তালিকা থেকে ঠিক কত ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আর এর মাঝেই আজ, বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা। সেখানেই ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ কবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মনে করছে আইনজীবী মহল। 

    নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম দফার মনোনয়ন পর্ব শেষ হচ্ছে ৬ এপ্রিল। ওই দিন এই পর্বের ভোটার তালিকা ফ্রিজ হওয়ার কথা। দ্বিতীয় দফার ভোটার তালিকা ফ্রিজ হবে ৯ এপ্রিল। এই অবস্থায় বিচারাধীন ভোটারদের জন্য তালিকা ফ্রিজের সময়সীমা বাড়বে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে সুপ্রিম কোর্ট। কারণ, এখনও প্রায় ২০ শতাংশ বিচারাধীন ভোটারের নথি নিষ্পত্তি বাকি। তার মধ্যে অভিযোগ, বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও বহু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। ‘ডিলিটেড’ ভোটাররা ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন ঠিকই। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হল, ট্রাইবুনালের বিচারপতিরা এখনও নিষ্পত্তির কাজই শুরু করতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে বিচারাধীন ভোটারদের জন্য ভোটার তালিকা ফ্রিজের সময়সীমা বাড়ানোর প্রশ্নটি উঠবে শুনানিতে। আর সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ। 

    এরই মধ্যে মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে বিচারাধীন ভোটারদের ষষ্ঠ অতিরিক্ত তালিকা। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ‘৬০ লক্ষের মধ্যে ৪৬ লক্ষের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। ট্রাইবুনালের জন্য জলশক্তি মন্ত্রকের অধীনস্থ এসপি মুখার্জি ইনস্টিটিউশন, বেহালায় দপ্তর নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। ওখানেই ১৯ জন বিচারপতি বসতে পারবেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনও মন্ত্রককে আবেদন জানিয়েছে। সবুজ সংকেত মিললেই ট্রাইবুনালের কাজ শুরু করা হবে। খুব দ্রুত শুরু করার চেষ্টা করা হয়েছে।’ এদিকে, এদিন হাঁসখালি ব্লকের বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন। দিনকয়েক আগে নদীয়ার রানাঘাটের স্কুলে ভোটের প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। তাতেই চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হল। এই ঘটনায় আগেই সায়ন্তনকে শো-কজ় করেছিল কমিশন। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, হাঁসখালিতে ভোট প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনার সামগ্রিক দায়িত্ব ছিল বিডিওর। তিনি তাঁর নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করতে এবং প্রয়োজনীয় প্রোটোকল বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। অন্যদিকে, ভোটের মুখে রাজ্য প্রশাসনে ঢালাও রদবদলের প্রতিবাদে তৃণমূলের মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চ।
  • Link to this news (বর্তমান)