• পুরসভা এলাকায় লিড বাড়াতে বাড়ি বাড়ি যাবেন তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা
    বর্তমান | ০১ এপ্রিল ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বারুইপুর: ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে জয়নগর- মজিলপুর পুরসভায় তৃণমূলের ফল আশাব্যাঞ্জক ছিল না। ১৪টি ওয়ার্ড মিলিয়ে তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল এগিয়ে ছিলেন মাত্র ২৩ ভোটে। শাসকদল পিছিয়ে ছিল বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে। এবার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বনাথ দাসের লিড বাড়াতে তৎপর জোড়াফুল শিবির। জয়নগর-মজিলপুর টাউন তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসকে এই বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। টাউন মহিলা তৃণমূল সভাপতি দীপান্বিতা দাস বলেন, মহিলারা হল তৃণমূলের শক্তি। দল থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ১০ জন মহিলা কর্মী টিম প্রতিটি ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করবে। উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হবে। যদিও তৃণমূলের এই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেছেন বিরোধীরা। বিজেপির প্রার্থী অলোক হালদার ও সিপিএমের প্রার্থী অপূর্ব প্রামাণিক বলেন, এত দিন কী ঘুমিয়ে ছিল তৃণমূল। শহরের মানুষ জোড়াফুলের লিড বাড়াবে না। শহরে কাজ না করার জবাব দেবে মানুষ। শুধু তোলাবাজি আর দুর্নীতি বরদাস্ত হবে না। 

    জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার ১৪টি ওয়ার্ড। গত লোকসভা ভোটে ২, ৩, ৪, ৫, ৭, ৮,১০, ১১, ১৩, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে পিছিয়ে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের। লিড পেয়েছিলেন ১, ৬, ৯ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে। গোটা পুরসভায় তৃণমূল পেয়েছিল ৮১৫৪টি ভোট। বিজেপি পেয়েছিল ৮১৩১টি ভোট। ২৩ ভোটে জিতেছিল তৃণমূল। দেখা গিয়েছে, এই সব ওয়ার্ডে আবার বিজেপির ভোট বেড়েছিল। তৃণমূল শিবিরের বক্তব্য, বিরোধী জোট হয়েছিল লোকসভা ভোটে, তাই তৃণমূলের ভোট কিছু কমেছিল। উলটোদিকে, সিপিএম ও বিজেপির উভয়ের কথা, ২০২২ সালে জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার ভোটে তৃণমূলের সন্ত্রাস মুছে যায়নি লোকসভা ভোটে। এবারও ভোট দেওয়ার আগে সেই ছবি মানুষ ভুলবে না। পাশাপাশি, পুরসভা এলাকায় দলীয় বিভাজনও চিন্তায় রেখেছে তৃণমূল শিবিরকে। যদিও এই কোন্দল যাতে বড়ো চেহারা না নেয় তার জন্য সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল ও প্রার্থী বিশ্বনাথ দাস দলীয় কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দল কে জেতাতে ঝাঁপাতে হবে কর্মীদের। 

     
  • Link to this news (বর্তমান)