• যথাযথ ভাবে নথির সত্যতা যাচাই না করে, কোনও নতুন ডকুমেন্ট নেওয়া যাবে না: সুপ্রিম কোর্ট
    এই সময় | ০১ এপ্রিল ২০২৬
  • প্রথম দফার নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। যে ১৫২টি আসনে ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ, আগে সেখানকার যাবতীয় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির সমাধান করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে SIR মামলার শুনানি হয়। শুরুতেই আদালতে অভিযোগ ওঠে, এখনও অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল কাজ শুরু করেনি। ফরাক্কা আসনের কংগ্রেস প্রার্থী মোহতাব শেখের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের নাম নেই ভোটার লিস্টে। অথচ তিনি প্রার্থী। ৬ তারিখে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এ দিকে, অ্যাপিলিয়েট ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে না। যা শুনে প্রধান বিচারপতি জানান, আধ ঘণ্টার মধ্যেই তা কাজ করবে। অন্যদিকে বিচারপতি বাগচী জানান, যদি কোনও প্রার্থীর নাম বাদ পড়ে, তা হলে আলাদা করে আবেদন করতে পারবেন। সেখানে আবেদনকারীরা প্রয়োজনে নতুন নথিপত্র পেশ করতে পারবেন। নথির সত্যতা যাচাই না করে নতুন নথি গ্রহণ করা যাবে না বলেও জানিয়েছে আদালত।

    এ দিন শুনানিপর্বে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি গতকাল চিঠি লিখেছেন। আমরা খুবই খুশি, ৪৭ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার থেকে ২ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হচ্ছে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ‘৭ এপ্রিলের মধ্যে সকলের যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়ে যাবে’। ট্রাইব্যুনালের কাজের সুবিধার জন্য পুরো পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের জন্য সাম্মানিক, যাতায়াত-সহ অন্যান্য সুবিধা সব ব্যবস্থা করতে হবে দ্রুত।’

    একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দেয়, ট্রাইব্যুনালের সদস্যরা যেন শান্তিতে কাজ করতে পারেন। বিচারপতি বাগচী বলেন, ‘জুডিশিয়াল অফিসারদের উপরে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করবেন না।’ কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডুকে উদ্দেশ করে বিচারপতি বলেন, আপনাদের সফ্টওয়ার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আপনারা অ্যাপিলেট অথরিটির কাছে সব নথি পেশ করুন। কোনও বিবাদ হলে তা মেটানো হবে যাবতীয় নথি দেখেই।’

    বিচারপতি বাগচী বলেন, ‘ডিলিশনের কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে৷ আমরা ইন্ডিপেন্ডেন্ট এক্সসারসাইজ দেখছি। দু’টো স্তর আছে— একটা নির্বাচনের পদ্ধতি, অন্যটি একজন ব্যক্তির মৌলিক ভোটাধিকারের বিষয়। মাথায় রাখতে হবে সংযোজন, বিয়োজন সব কিছুই যেন বৈধ হয়। বৈধ কোনও কারণ না দেখিয়ে একজন ব্যক্তির অধিকারকে আপনারা অস্বীকার করতে পারেন না।’

  • Link to this news (এই সময়)