দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে নবগ্রামে নামতে পারল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপ্টার। বুধবার মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে সভা আছে তাঁর। বীরভূমের নানুরের পরে মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় সভা করে নবগ্রামে যাচ্ছিলেন। তবে তুমুল বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে। তার জেরে নবগ্রামে নামতে পারেনি কপ্টার। যদিও সেই সভা বাতিল করেননি মুখ্যমন্ত্রী। তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেন সড়কপথে যাওয়ার। ইতিমধ্যেই সভাস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন তিনি।
গত সপ্তাহেই ঝড়বৃষ্টির কারণে কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমান। ঘণ্টাখানেক আকাশেই চক্কর কাটে বিমানটি।
এ দিন বড়ঞা থেকে কপ্টারে নবগ্রামের কাছে পৌঁছে গেলেও আচমকা খারাপ আবহাওয়া হওয়ায় বড়ঞায় ফিরতে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বড়ঞায় যে হেলিপ্যাড ছিল, সেখানে ফেরেন মমতা। এর পরেই নেমে গাড়িতে নবগ্রামের পথে রওনা দেন।
গত ২৬ মার্চ বীরভূমের দুবরাজপুর ও পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে জনসভা সেরে কলকাতায় ফিরছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বিজ়নেস জেট অন্ডাল থেকে বিকেল ৩টে ৩৯ মিনিটে টেক–অফ করে। কলকাতায় নামার কথা ছিল বিকেল ৪টে ৭ মিনিট নাগাদ। ৪টে ২ মিনিটে কলকাতার আকাশে চলে আসে বিমানটি।
ততক্ষণে প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করে। সঙ্গে তুমুল বৃষ্টি। বিকেল ৪টে ২২ মিনিট থেকে ৫টা ২ মিনিট পর্যন্ত কার্যত বন্ধ হয়ে যায় কলকাতা বিমানবন্দর। যার জেরে আকাশেই দীর্ঘ সময় ঘুরতে হয় মুখ্যমন্ত্রীর বিমানকে।
সে দিন পাইলটের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করে মমতা বলেছিলেন, ‘ফ্লাইটের পাইলট খুব ভালো ছিলেন। আমার নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য সবরকম চেষ্টা করেছেন উনি।’ এ দিন যদিও কপ্টারে থাকায় এবং বড়ঞা ও নবগ্রাম একই জেলায় হওয়ায় হেলিপ্যাডে নেমে গাড়িতেই রওনা হন সভাস্থলে।