• ‘অভিষেকের মা ছুটে এসেছিলেন ৫০০ টাকার জন্য...’, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালুর নেপথ্য কারণ বললেন মমতা
    এই সময় | ০১ এপ্রিল ২০২৬
  • উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্পকে বারবার হাতিয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন আগেই পুরুলিয়ার ডেবরার সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন 'যুবসাথী কোনও ভিক্ষা বা ভাতা নয়। এটি যুবকদের হাতখরচ'। এ বার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালুর উদ্দেশ্য খোলসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    বুধবার বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা রজকের সমর্থনে ডাকবাংলো কৃষক বাজার ময়দানে আয়োজিত সমাবেশে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। কেন চালু করেছিলেন এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার? ব্যাখ্যা করলেন সেই কাহিনিও।

    ৫০০ দিয়ে শুরু হয়েছিল এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বর্তমানে আর্থিক সাহায্য বেড়ে হয়েছে ১৫০০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'নোটবন্দির সময় প্রথম মাথায় এসেছিল মহিলাদের জন্য এই প্রকল্পের কথা। মহিলারা নোটবন্দির সময় সংসার চালাতে হিমসিম খেয়েছিলেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে এসেছিলেন ৫০০ টাকার জন্য আমার কাছে । বলেছিলেন বাজার খরচ চলবে কী করে? সব টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিতে হবে।'

    শুধু তাই নয়, নোটবন্দির জেরে মানুষের দুর্দশার কথা তুলে ধরতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, 'সেই সময় আমার বাড়িতে একটি মেয়ে এসেছিল, থাকত বেঙ্গালুরুতে। সে বলেছিল, দিদি ২০০ টাকা দেবে? আমার কাছে একটি টাকাও নেই। দুঃসময়ে কাজে লাগানোর জন্য সব জমা পুঁজি কেড়ে নিয়েছিল'। কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মা-বোনেদের উপহার'।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপযোগিতার কথা বলতে গিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর আরও সংযোজন, 'আমার নিজেরও একটি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আছে। সেখানে পাঁচ টাকা,দশ টাকা করে জমিয়ে সেই টাকা দিয়ে প্রতিবছর কালী পুজোয় বাড়ির মাকে কিছু একটা দিই।' (মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের কথায়, বাড়ির মা বলতে তিনি বাড়ির কালী প্রতিমার কথা বলেছেন)

  • Link to this news (এই সময়)