নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কলকাতা মেট্রোর বিভিন্ন পিলার, প্ল্যাটফর্মের ছাদ, রেলওয়ে ট্র্যাকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য লোকসভায় লিখিতভাবে জানতে চেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। একইসঙ্গে কলকাতা মেট্রোর এহেন পরিকাঠামোগত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর নিয়মিতভাবে যে রিপোর্ট দেওয়া হয়, তানিয়েও সবিস্তার জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর সুনির্দিষ্ট জবাব এড়িয়ে গেল কেন্দ্রের মোদি সরকার। এদিন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লিখিতভাবে জানিয়েছেন, কলকাতা মেট্রো সহ রেলের এসব পরিকাঠামোগত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং তার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রেলমন্ত্রকের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। সেইমতোই কলকাতা মেট্রোতেও এসংক্রান্ত পদক্ষেপ হয়। নিয়মিতভাবে পেট্রলিং, অন-ফুট ইনস্পেকশন, ট্রলি ইনস্পেকশন, ফুটপ্লেট ইনস্পেকশন/রিয়ার উইন্ডো ইনস্পেকশনের মতো পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। সেইমতো রক্ষণাবেক্ষণ হয়।
প্রসঙ্গত, ট্রেনের ফুটপ্লেট ইনস্পেকশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা লোকো পাইলটের কেবিনে ওঠেন। ট্রেন চলন্ত অবস্থায় লোকো পাইলটের কর্মদক্ষতা যেমন খতিয়ে দেখেন, তেমনই সিগন্যাল দৃশ্যমানতা, ট্রেনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বন্দোবস্ত ঠিকমতো কাজ করছে কি না, সেইসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নজরদারি করেন। রিয়ার উইন্ডো ইনস্পেকশনে ট্রেনের একেবারে পিছনের কাচ-ঘেরা কামরায় বসে রেলওয়ে ট্র্যাকের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। রেলমন্ত্রী এদিন লিখিতভাবে লোকসভায় জানিয়েছেন, বিভিন্ন সময় রাইটসের মতো বিশেষজ্ঞ সংস্থাকে দিয়েও নজরদারি চালানো হয়। সার্বিকভাবে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, সবমিলিয়ে এই খাতে প্রায় ৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু কলকাতা মেট্রোর পরিকাঠামোগত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় প্রাপ্ত রিপোর্টের উল্লেখমাত্র লোকসভায় এদিনের লিখিত জবাবে রেলমন্ত্রী না করায় চর্চা শুরু হয়েছে।
তবে শুধুমাত্র কলকাতা মেট্রোই নয়। বন্দে ভারত ট্রেন উৎপাদনে রেলের কত খরচ হয়েছে, তারও লিখিত জবাব বুধবার লোকসভায় এড়িয়ে গিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।