নিজের প্রচার সেরে দুই সতীর্থের হয়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলের পর্যবেক্ষক
বর্তমান | ০২ এপ্রিল ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তিনি পর্যবেক্ষক। আবার প্রার্থীও। কিন্তু নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের পাশাপাশি এখন তাঁকে আরো দু’টি আসনের দিকে বিশেষ নজর দিতে হচ্ছে। সেখানকার প্রার্থীদের নিয়েও বেরতে হচ্ছে প্রচারে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অলিগলি, পাড়ামহল্লা ঘুরছেন মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা পর্যবেক্ষক শামিম আহমেদ। তিনটি কেন্দ্রেই জনসংযোগ, বুথ পরিক্রমা, মন্দির-মসজিদ পরিদর্শন, পদযাত্রা ও কর্মিসভা সবই সামলাচ্ছেন তিনি অনায়াসে।
ডায়মন্ডহারবার ও মহেশতলা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদার ও শুভাশিস দাস নিজেদের মতো প্রচারে বেরলেও একদিন অন্তর ডায়মন্ডহারবারের পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সারতে হচ্ছে অন্যান্য কর্মসূচি। দুই কেন্দ্রের বিস্তীর্ণ এলাকায় সকাল-সন্ধ্যা সতীর্থ দুই প্রার্থীর হয়ে কখনো ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ করছেন, কোথাও আবার দলবদল করতে আসা বিরোধী নেতা-কর্মীদের যোগদান করাচ্ছেন। এর সঙ্গে বুথে বুথে কর্মিসভা তো আছেই। ফলে বাকি কেন্দ্রগুলির তুলনায় এই দুই আসনে একটু ভিন্ন ছবি চোখে পড়ছে।
শামিমের বক্তব্য, দল আমায় তিনটি বিধানসভা এলাকার পর্যবেক্ষক করেছে। তাঁর মধ্যে একটিতে আমিই এবার প্রার্থী। বাকি দু’টিতে প্রচারের কর্মকাণ্ডও দেখছি। তাই ওই দু’জনের সঙ্গে প্রচারে যাচ্ছি। এতে কোনো অসুবিধে হচ্ছে না। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নিজের কেন্দ্রে প্রচার চালিয়ে তিনি বিকালটা রাখছেন বাকি দুই বিধানসভার জন্য। কোনোদিন ডায়মন্ডহারবার, তো কোনোদিন মহেশতলায় ছুটছেন শামিম।
এই নিয়ে অবশ্য বামেরা কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি হয়নি। সিপিএমের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রভাত চৌধুরী বলেন, এটা ওদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। আমাদের এক্ষেত্রে কিছু বলার নেই। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা সুফল ঘাটু তৃণমূলের এই পদক্ষেপকে কটাক্ষ করে বলেন, ওদের কি নেতৃত্বের অভাব আছে ওই দুই বিধানসভায়? তাই একজন প্রার্থীকে আরও দুই জায়গায় সময় দিতে হচ্ছে!