• নোয়াপাড়ায় ভোটের সেন্টিমেন্ট ‘শহিদ’ বিকাশ বসু, প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
    বর্তমান | ০২ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বিকাশ বসু ছিলেন পেশায় শিক্ষক। তৎকালীন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি। উত্তর বারাকপুর পুরসভার জনপ্রিয় কাউন্সিলার। ২০০০ সালের ১ এপ্রিল সকাল সওয়া নটায় ইছাপুর স্টোর বাজারে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নৃশংস খুন হয়েছিলেন। ২৬ বছর পরও সেটাই ভোটের ইস্যু নোয়াপাড়া বিধানসভায়। 

    যিনি ওই খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, সেই অর্জুন সিংকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। ফলে ইস্যুটি আরও জীবন্ত হয়ে উঠেছে। সেন্টিমেন্টে ভোট-যুদ্ধে এককদম এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। কারণ, বিকাশ বসুর নামে এখনও আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন ইছাপুর নোয়াপাড়ার বাসিন্দারা। 

    বিশ্বনাথ বারিক, রাজীব ভট্টাচার্যের মতো ভোটাররা বুধবার সকালে বিকাশ বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করে জানিয়ে দেন, এখনও বিকাশ বসুর ছায়া নোয়াপাড়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। মানুষ বিকাশ বসুকে ভোলেনি। বিকাশ বসুর একদা সঙ্গী উত্তর বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় ঘোষ মাল্যদান করে বলেন, বিকাশদাকে কেউ খুন করতে পারে আমরা ভাবতে পারি না। সাংসদ পার্থ ভৌমিক মালা দিয়ে বলেন, প্রতিবছর আসি। আমার নেতাকে শ্রদ্ধা জানাই। তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বলেন, আমি বিকাশ বসুকে দেখিনি। তবে বিকাশ বসুর খুনি যে অর্জুন সিং, তা সকলের জানা। তিনি কোন মুখে ভোট চান।যদিও অর্জুন বিচলিত নন। এদিন বিকাশ বসুর মূর্তিতে যখন মাল্যদান চলছে, তখন জনসংযোগ যাত্রা চলছিল অর্জুনের। সাংবাদিকদের কাছে তাঁর দাবি, ‘উন্নয়নের খতিয়ান দিতে পারবে না বুঝে, ফের বিকাশ বসুর শরণাপন্ন হচ্ছে তৃণমূল। ভোট এলে বিকাশ বসুর খুনের কথা তুলে ধরা হয়। আর আমাকে খুনি সাব্যস্ত করা হয়। যারা খুন করিয়েছে, তাদের মধ্যে একজন মারা গিয়েছে আর একজন এখনও তৃণমূল করেন। নির্বাচন মিটলে ওকে ভুলে যাবে ঘাসফুল শিবির। এর অন্যতম উদাহরণ হল, বিকাশবাবুর স্ত্রীকে ফের টিকিট না দেওয়া।’ বিকাশবাবুর স্ত্রী মঞ্জু বলেন, আজকের দিনে আমি রাজনীতির কথা বলবো না। শুধু বলব, ঈশ্বর জানেন পাশে কে আছে আর কে নেই।  নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)