ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজে রোগী দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা এক কর্মীর দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। ঝাড়গ্রাম শহরের মন্দির সংলগ্ন ফাঁকা জায়গা থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম নেপাল শ্যামল (৫০)। তাঁর বাড়ি শহরের নৃপেন পল্লিতে। ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রোগী দেখভালের কাজ করতেন তিনি।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে থেকে নিখোঁজ ছিলেন নেপাল। রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় বিভিন্ন জায়গায় তাঁর খোঁজ চালান পরিবারের সদস্যরা। এ দিন সকালে শ্মশানকালী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় নেপালের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা নেপালের পরিবারের সদস্যদের জানান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে মানুষের ভিড় জমে যায়। পৌঁছন ঝাড়গ্রামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস ও ঝাড়গ্রাম থানার আইসি কৌশিক সাউ। মৃতের পরিবার খুনের অভিযোগ তুলে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশকে দেহ তুলতে বাধা দেয়। যদিও তদন্তের আশ্বাস দিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যালে পাঠায় পুলিশ।
মৃতের ছেলে অনির্বাণ শ্যামল বলেন, ‘বুধবার দুপুর থেকে বাবা বাড়ি আসেনি। রাতেও খোঁজ করা হলে সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকলে খবর পেয়ে এসে দেখি মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরিকল্পিত ভাবে খুন করে রাতের অন্ধকারে এই জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গা কালো দাগ রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে অনেকই জড়িত রয়েছে। পুলিশের কাছে একটাই দাবি দোষীদের গ্রেপ্তার করা হোক।’
পুলিশ জানিয়েছে, দেহ উদ্ধারের পরে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।