মমতা এদিন বলেন, 'আমি বলছি ক্ষোভ আছে মানুষের। আমারও ক্ষোভ আছে, সেই আক্রণেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লোরাই করেছি। কী দরকার ছিল এই রায় বেরনোর পর জাজেদের আটকে রাখা?'
মমতা সাফ বললেন, 'যাঁরা করেছেন, তাঁদের একটাকেও যেন ছাড়া না হয়।' বললেন, 'এটা আমাদের দলের কোনও পরিকল্পনা নয়। আমরা লড়ে নেব শান্তিতে। আমরা দাঙ্গার পক্ষে নই।'
মালদহে দাঁড়িয়েও মমতা বললেন, বাংলাকে বদনাম করা হচ্ছে। এর আগেও, মুর্শিদাবাদে মমতা বলেন, 'আপনারা জানেন এখন প্রশাসনিক ক্ষমতা আমার হাতে নেই। আইনশৃঙ্খলার পুরোটাই আমার হাত থেকে কেড়ে নিয়েছে।' সঙ্গেই বিজেপি কমিশনকে একযোগে বিঁধে মমতা বললেন, 'ওরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কথায় চলে। আমার কথায় চলে না।' শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনায় মমতা বোঝালেন আরও একটি বিষয়। বোঝালেন, এই ঘটনায় যাঁদের শো-কজ করা হয়েছে, তাঁদের নতুন করে ভোটের মুখে আনা হয়েছে বাংলায়। বললেন, 'মুখ্যসচিব, ডিজি, স্বরাষ্ট্রসচিব, সিপি সব বদল হয়েছে, আমার হাত থেকে সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে ইলেকশন কমিশন এখানে সুপার রাষ্ট্রপতি শাসন চালাচ্ছে।' নতুন মুখ্যসচিব এখনও পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি, এই মালদহের ঘটনা প্রশাসনিকভাবে তাঁকে জানানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।