ফের চন্দ্রপথে NASA-র অভিযান। প্রায় ৫০ বছর পরে চাঁদের কক্ষপথে মহাকাশযান পাঠিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। মিশন ‘আর্টেমিস–২’। কী এর বিশেষত্ব? কোন কোন লক্ষ্যে কাজ করবেন মহাকাশচারীরা? দেখে নেওয়া যাক একনজরে।
ঐতিহাসিক অভিযানে থাকছেন চার মহাকাশচারী
মহাকাশে মানুষের থাকার সক্ষমতা পরীক্ষা
লাইফ-সাপোর্ট, নেভিগেশন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পরীক্ষা
ভবিষ্যৎ চন্দ্রাভিযান (বিশেষত আর্টেমিস–৩) সফল করার প্রস্তুতি
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই মিশনে নভোচররা চাঁদে অবতরণ করবেন না, বরং চাঁদের চারপাশে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরবেন।
১. চাঁদে মানুষ নামানোর আগে ওরিয়ন (Orion) মহাকাশযানের লাইফ-সাপোর্ট সিস্টেম, বাতাসের গুণমান এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এই প্রথম মানুষের উপস্থিতিতে পরীক্ষা করা হবে। বায়ুমণ্ডলে ফেরার সময় ওরিয়নের ‘হিট শিল্ড’ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে কি না, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।
২. এই মিশনের সাফল্য থেকেই ২০২৮ সালের আর্টেমিস ৪ (Artemis IV) মিশনের পথ প্রশস্ত হবে। যে মিশনে সরাসরি চাঁদের বুকে পা রাখবেন মহাকাশচারীরা। নাসার মূল লক্ষ্য হলো, চাঁদকে একটি গবেষণাগার হিসেবে ব্যবহার করে ভবিষ্যতে মঙ্গলে (Mars) মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া।
৩. এই মিশনের নভোচারীরা পৃথিবী থেকে রেকর্ড পরিমাণ দূরত্ব (প্রায় ৪ লক্ষ কিলোমিটারের বেশি) ভ্রমণ করছেন এবং ১৯৭২ সালের পর তাঁরাই প্রথম মানুষ যারা সরাসরি নিজেদের চোখে চাঁদের উল্টো পিঠ (Far Side) দেখছেন।