• দুপুরে খেতে বসেছিলেন, আচমকাই বাড়িতে ঢুকে বিজেপি কর্মীদের মারধর, কাঠগড়ায় তৃণমূল
    এই সময় | ০৩ এপ্রিল ২০২৬
  • দেওয়াল লিখন শেষে দুপুরে খেতে বসেছিলেন। অভিযোগ, সেই সময়ে বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধর করা হলো এক বিজেপি কর্মীকে (BJP)। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হয়েছেন আরও দু’জন বিজেপি কর্মী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড় থানার (Bhatar Police Station) সেলেন্ডা গ্রামের এই ঘটনায় তৃণমূলের (TMC) দিকে আঙুল তুলেছে পদ্মশিবির। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসক দল।

    ভোট ঘোষণার পর থেকেই জোরকদমে প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। চলছে মিটিং, মিছিল, পথসভা। এদিন দেওয়াল লিখনের পরে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে বসেছিলেন ভাতার ৩ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি স্নেহময় কুণ্ডু। আচমকাই বাড়িতে ঢুকে পড়ে কয়েক জন দুষ্কৃতী। অভিযোগ, স্নেহময়কে ধরে বেদম পেটাতে শুরু করেন তাঁরা।

    ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে পড়েন সবাই। তার পরেই স্নেহময়কে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন অন্য বিজেপি কর্মীরা। তাঁদেরও বেদম মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম হন শ্যামসুন্দর কোনার এবং শ্যামল রায় নামে আরও দুই বিজেপি কর্মী।

    মারধরের ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছেন বিজেপি নেতা স্নেহময় কুণ্ডু। তিনি বলেন, ‘দেওয়াল লিখন নিয়েই গন্ডগোলের সূত্রপাত। তৃণমূল আপত্তি করায় দেওয়াল লেখার পরেও আমরা মুছে দিয়েছিলাম। তার পরে এক কর্মীর বাড়িতে সবাই খেতে যাই। সেখানেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপরে চড়াও হয়।’

    যদিও মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন ভাতাড়ের তৃণমূল নেতা বাগবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এমন কোনও ঘটনার খবর আমার কাছে নেই। তৃণমূল কখনওই অন্য দলকে প্রচারে বাধা দেয় না। বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখব।’ ঘটনার পরেই ভাতাড় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

  • Link to this news (এই সময়)