• গোয়ালপোখরকে মডেল ব্লক করেছেন ‘কাজের মানুষ’ রব্বানি
    বর্তমান | ০৩ এপ্রিল ২০২৬
  • কাজল মণ্ডল,ইসলামপুর: উন্নয়নের নিরিখে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর এখন মডেল ব্লক হয়ে উঠেছে। সরকারিভাবে ঘোষণা না হলেও এমনটাই দাবি করেন বিদায়ী বিধায়ক গোলাম রব্বানি। গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ হয়েছে এই ব্লকে। 

    এই মূলধনকে পুঁজি করে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবারও এই বিধানসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রব্বানি। যদিও বিদায়ী বিধায়কের দাবি মানতে নারাজ বিরোধীরা। তাদের দাবি, গোয়ালপোখরে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। গ্রামের রাস্তাঘাট থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কোল্ড স্টোরেজ থেকে দমকল কেন্দ্র এমনকী স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করেছেন বিদায়ী বিধায়ক।

    গত ১০ বছর থেকে বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন রব্বানি। স্বাভাবিকভাবে অন্যান্য কেন্দ্রের তুলনায় গোয়ালপোখরে বেশি উন্নয়ন হওয়ার কথা। বাসিন্দারা বলছেন, তৃণমূলের জমানায় আইটিআই, মডেল মাদ্রাসা, পাওয়ার স্টেশন, দমকল কেন্দ্র, প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কনফারেন্স হল সহ বড় বড় প্রকল্পের কাজ হয়েছে। যার সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে পিতানু নদীর উপর ব্রিজ হয়েছে। বিদায়ী বিধায়কের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু হওয়ায় গোয়ালপোখর ১ ও ২ ব্লকের হাজার হাজার মানুষের সুবিধা হয়েছে। ডোহাবাড়ি এলাকাতেও পিতানু নদীর উপর সেতু নির্মাণ চলছে।

    রব্বানি বলেছেন, বিধায়কের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের সমস্ত টাকা উন্নয়নে খরচ হয়েছে। অন্য দপ্তর থেকেও প্রচুর কাজ হয়েছে আমার এলাকায়। এই এলাকায় ১৬ টি হিমঘর হয়েছে। চাষিরা সেখানে উৎপাদিত ফল, সবজি মজুত রাখতে পারবেন। রাস্তা, হাট-বাজার এলাকায় সোলার লাইট, কৃষিতে সেচের জন্য সাব মার্সিবল বসানো হয়েছে। 

    বিদায়ী বিধায়কের দাবি, রাজ্যের ৩৪১ টি ব্লকের মধ্যে সবথেকে পিছিয়ে ছিল গোয়ালপোখর। বর্তমানে গোয়ালপোখর একটি মডেল ব্লক হয়েছে। যদিও রব্বানির এই দাবি মানতে নারাজ গোয়ালপোখরের বিজেপি প্রার্থী সরজিৎ বিশ্বাস। তিনি বলেছেন, গোয়ালপোখর এখনও পিছিয়ে আছে। সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন হয়নি। শুধু মন্ত্রী এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের উন্নয়ন হয়েছে।

    কংগ্রেস নেতা নাসিম এহসান বলেন, গোলাম রব্বানি ১০ বছরে ৬ টি দপ্তরের মন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু এলাকায় একটিও কলেজ, বড় হাসপাতাল, বালিকা বিদ্যালয় করতে পারেননি। শ্রমমন্ত্রী থাকার পরও এখানে কর্মসংস্থান হয়নি। এখনও যুবকরা রোজগারের আশায় ভিনরাজ্যে যাচ্ছেন। 
  • Link to this news (বর্তমান)