• মৃত কর্মী-পেনশনভোগীকে ডিএ মেটাতে হেল্পলাইন চালু, উত্তরাধিকারীদের আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে জারি বিজ্ঞপ্তি
    বর্তমান | ০৩ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের তরফে মৃত সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘভাতা (ডিএ) ও ডিয়ারনেস রিলিফ (ডিআর) পেতে আবেদনের বিস্তারিত প্রক্রিয়া প্রকাশ করল নবান্ন। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া তাঁদের মনোনীত ব্যক্তি বা আইনি উত্তরাধিকারীকে পরিশোধের ক্ষেত্রে এই নতুন প্রক্রিয়াটি অবলম্বন করা হচ্ছে। মৃত কর্মী বা পেনশনভোগীর বাড়ির লোককে বকেয়া ডিএ’র আবেদন জমা করার কাজে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে একটি হেল্পলাইনও চালু করল নবান্ন। হেল্পলাইন নম্বরটি হল ০৩৩-২২৫৩৫৪১৭। একটি ইমেল আইডিও (ifms-wb@gov.in) চালু করা হয়েছে। কীভাবে আবেদন করবেন? রাজ্য অর্থদপ্তরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৮০ দিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ পেতে উত্তরাধিকারীরা প্রয়োজনীয় নথি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ‘লাস্ট হেড অব অফিস’-এর কাছে আবেদন করতে পারবেন। বকেয়া ডিআর-এর ক্ষেত্রে আবেদন করতে হবে পেনশন বিতরণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে। 

    মৃত পেনশনভোগী যদি কাউকে নমিনি হিসেবে মনোনীত করে থাকেন তাহলে সেই ব্যক্তিকেই সরাসরি বকেয়া অর্থ দেওয়া হবে। আবার যদি দেখা যায় যে বর্তমান ফ্যামিলি পেনশনভোগী ও মনোনীত ব্যক্তি একই ব্যক্তি, তাহলে সরাসরি সেই ফ্যামিলি পেনশনভোগীর অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানো হবে। মনোনীত ব্যক্তি বা নমিনি না থাকলে জমা দিতে হবে আইনগত উত্তরাধিকারীর প্রয়োজনীয় নথি। যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁদের তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বকেয়া অর্থ দেবে। ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মৃত কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পেনশন স্যাংশনিং অথরিটি বা লাস্ট হেড অব অফিস কর্মচারীর এইচআরএমএস আইডি তৈরি করবে এবং ই-সার্ভিস বুক আপডেট করবে। রাজ্যের আইএফএমএস ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বকেয়া হিসাব করে দাবিদারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানো হবে। ২০১৫ সালের পর প্রয়াত হলে (যদি কর্মচারীর এইচআরএমএস আইডি থাকলে) সরাসরি উত্তরাধিকারী বা দাবিদারের অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানো হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)