• থানা থেকে সোজা ঘটনাস্থলে, জুডিশিয়াল অফিসারদের হেনস্থার ঘটনার তদন্তে মালদায় NIA
    এই সময় | ০৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ভোটার তালিকায় বাদ পড়া নামের নিষ্পত্তিতে গিয়ে হেনস্থার মুখে পড়েন সাত জুডিশিয়াল অফিসার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মালদার মোথাবাড়িতে ঘটা ওই ঘটনার তদন্তভার NIA-র হাতে তুলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দায়িত্ব পাওয়ার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই সক্রিয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার সকালেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে NIA-এর DIG-এর নেতৃত্বে মালদার উদ্দেশে রওনা হন ৪০ জনের টিম। সঙ্গে ছিল অতিরিক্ত ৬০ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। বিকেলের মধ্যেই NIA ঘটনাস্থলে পৌঁছে শুরু করে দেয় তদন্তের কাজ। এ দিকে এ দিন সকালেই তদন্তে তদারকির জন্য কলকাতায় এসে পৌঁছন NIA-র আইজি সোনিয়া সিং।

    শুক্রবার বিকেল চারটে নাগাদ ২২টি গাড়ির কনভয় নিয়ে মোথাবাড়ি এলাকায় পৌঁছয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি NIA-র কর্তারা। তদন্তকারী এজেন্সির DIG পি.এইচ. মহেশ নারায়ণের নেতৃত্বেই শুরু হয় তদন্ত। এ দিন প্রথমেই NIA কর্তারা মোথাবাড়িতে এসে কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে যান।

    প্রথমে NIA যায় মোথাবাড়ি থানায়। তার পরে কালিয়াচক-২ BDO অফিসে পরিদর্শন করেন। এখানেই বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত সাত বিচারককে আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। মোথাবাড়ি থানা, কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে গিয়ে তদন্তের পাশাপাশি যে রাস্তা ধরে বিচারকদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল সেই সব জায়গাতেও খুঁটিনাটি তদন্ত করেন NIA-র কর্তারা। এ ছাড়াও মোথাবাড়ি থানা ও সংশ্লিষ্ট BDO অফিসে বসানো সিসিটিভি ফুটেজের তথ্য সংগ্রহের কথাও জানানো হয়েছে জাতীয় তদন্তকারী এজেন্সির পক্ষ থেকে।

    এ দিন NIA পৌঁছতেই এলাকা ছাড়েন অনেকে। জিজ্ঞাসাবাদের ভয়ে দোকানপাট বন্ধ করে এলাকা থেকে চলে যান অনেকে। যদিও সন্ধ্যা পর্যন্ত NIA-র কর্তারা সংশ্লিষ্ট ব্লক অফিসে থাকলেও সংবাদ মাধ্যমের সামনে কোনও মন্তব্য করেননি।

    প্রসঙ্গত, এ দিন সকালেই বাগডোগরা এয়ারপোর্ট থেকে কালিয়াচকের ঘটনায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে CID। এখনও অবধি ঘটনায় গ্রেপ্তার মোট ৩৫ জন।

  • Link to this news (এই সময়)