হাঁসখালির বিডিওকে আগেই সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটকর্মীদের ট্রেনিংয়ের সময়ে তিনি প্রোটোকল বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। শুক্রবার তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের যুগ্ম বিডিও (Khandaghosh Block Joint BDO) জ্যোৎস্না খাতুনকে (Jyotsna Khatun) সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
জ্যোৎস্নার বিরুদ্ধে তৃণমূলের হয়ে ভোট প্রচারের অভিযোগ উঠতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্যে। সরকারি পদে থেকে কী ভাবে রাজনৈতিক দলের প্রচারে নামলেন? এই প্রশ্ন তুলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন বিরোধীরা। তার পরেই এ দিন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালকে চিঠি দিয়ে জ্যোৎস্নাকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন।
এ দিন কমিশনের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘খণ্ডঘোষের যুগ্ম বিডিও জ্যোৎস্না খাতুনকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হোক। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু করতে হবে।’ পাশাপাশি নির্দেশ অনুযায়ী জ্যোৎস্নাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে কি না, তা জানিয়ে শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে মুখ্যসচিবকে রিপোর্ট দিতেও বলা হয়েছে চিঠিতে।
উল্লেখ্য গত ৩১ মার্চ হাঁসখালির বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করেছিল নির্বাচন কমিশন। নদিয়ার রানাঘাটের একটি স্কুলে ট্রেনিং চলাকালীন প্রোজেক্টরের মাধ্যমে দিঘার জগন্নাথ মন্দির-সহ রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের ভিডিয়ো দেখানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এক ভোটকর্মী প্রতিবাদ করতেই গন্ডগোল বেঁধে যায়। তাঁকে মারধর করা হয়। সেই ট্রেনিং সেন্টারের দায়িত্ব ছিলেন বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্য। ঘটনার পরে তিনি প্রোটোকল বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন অভিযোগে তুলে সাসপেন্ড করা হয় সায়ন্তনকে।