• রাজনীতিতে দিনের সেরা ৫: মোথাবাড়ির ঘটনায় গ্রেপ্তার, কী বললেন মমতা?
    এই সময় | ০৪ এপ্রিল ২০২৬
  • মালদার মোথাবাড়িতে জুডিশিয়াল অফিসারদের আটকে রাখা এবং জাতীয় সড়ক অবরোধ করার ঘটনায় মূল চক্রী হিসাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলামকে। বুধবার রাতের ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার জন্য শুক্রবার সকালে বাগডোগরা এয়ারপোর্ট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুলকে গ্রেপ্তারের পরে এডিজি কে জয়রামন বলেন, ‘আমরা মনে করছি, মালদার বিভিন্ন হিংসার ঘটনায় এই ব্যক্তি অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী। সিআইডি বাগডোগরা এয়ারপোর্ট থেকে শিলিগুড়ি পুলিশের সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে।’

    মোথাবাড়ির ঘটনায় মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করার জন্য সিআইডি-কে বাহবা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের হাজারিপাড়া মাঠে এ দিন সভা করেছেন মমতা। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলার বাইরে থেকে বাসে করে লোক আনা হচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনকে খেপিয়ে বাংলায় অশান্তি ছড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। এ দিন তিনি বলেন, ‘মালদার ঘটনা যে ঘটিয়েছে, তাকে হাতেনাতে কে গ্রেপ্তার করেছে জানেন? এই রাজ্যের CID, স্থানীয় পুলিশ নয়। NIA আসার আগেই, আমাদের সিআইডি, যেটা এখনও আমি দেখি, তারা গ্রেপ্তার করেছে।’

    মালদার মোথাবাড়ির অশান্তির ঘটনায় বৃহস্পতিবার NIA তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবারই রাজ্যে এসে উপস্থিত হলেন NIA-এর তদন্তকারীরা। এ দিন সকালে NIA-এর DIG পি.এইচ. মহেশ নারায়ণের নেতৃত্বে ৪০ জন তদন্তকারীর দল মোথাবাড়িতে যান। ওই দলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা ছিলেন। এ দিন মোথাবাড়ি থানা, কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে যায় এনআইএ টিম। এই বিডিও অফিসেই জুডিশিয়াল অফিসারদের আটকে রাখা হয়েছিল।

    নাম ওঠেনি সাপ্লিমেন্টারি তালিকায়, নামের পাশে রয়েছে ‘ডিলিটেড’ তকমা। এখন রাজ্যের নানা জেলার নানা প্রান্তে ভোটার তালিকায় নাম কাটা যাওয়ার ঘটনায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন নাগরিকেরা। শুক্রবার হুগলির খানাকুলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় এই অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন। সভার শেষে অভিষেককে অভিযোগ জানান তাঁরা। তাঁদের আশ্বাস দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘সবাই এ দেশের নাগরিক। আগে যে ভাবে ভোট দিয়েছিলেন, এ বারও সে ভাবে দেবেন।’ অভিষেকের বার্তা, যাঁদের নাম ‘ডিলিটেড’ দেখাচ্ছে তাঁদের সব রকম সাহায্য করা হবে তৃণমূলের তরফ থেকে। তাঁর আশ্বাস, ‘ট্রাইব্যুনালে আপিলের কাজ চলছে। প্রত্যেকটা ব্লকে ব্লক সুপারভাইজ়ার আছে। প্রত্যেকের হয়ে আমরা আপিল করব।’

    আপের সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব বাড়ছে রাঘব চাড্ডার। বৃহস্পতিবারই তাঁকে রাজ্যসভার ডেপুটি দলনেতার পদ থেকে সরানোর চিঠি প্রকাশ করেছিল আম আদমি পার্টি। রাজ্যসভার সচিবালয়কে জানানো হয়েছিল, রাঘবকে আপের কোটা থেকে বক্তব্য রাখার জন্য সময় দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। এরপরে শুক্রবার পাল্টা মুখ খোলেন রাঘব চাড্ডা। ভিডিয়োবার্তায় তাঁর প্রশ্ন, ‘আমায় কেন চুপ করানো হচ্ছে? বিমানবন্দরের দামি খাবার, গিগ কর্মীদের সমস্যা, ব্যাঙ্কের বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। এতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। আপের কী ক্ষতি হলো?’ পাল্টা রাঘবের বিরুদ্ধে দলের খারাপ সময়ে পাশে না থাকার অভিযোগ করেছেন সৌরভ ভরদ্বাজের মতো আপ নেতারা।

  • Link to this news (এই সময়)