• আরও এক বিডিওকে সাসপেন্ড করল কমিশন, কারণ কী?
    আজকাল | ০৪ এপ্রিল ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: হাঁসখালির বিডিওর বর্ধমানের খণ্ডঘোষের যুগ্ম বিডিওকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিবকে একটি চিঠি পাঠিয়ে এই বিষয়ে জানিয়েছে কমিশন। খণ্ডঘোষের যুগ্ম বিডিও জ্যোৎস্না খাতুনকে বরখাস্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কমিশন সূত্রে খবর, একাধিক নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। কমিশনের অভিযোগ, সরকারি পদে থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ থাকা সত্ত্বেও শাসকদলের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন জ্যোৎস্না। তাই তাঁর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ। জ্যোৎস্নার শূন্যপদে নতুন নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যেকে। এই নিয়ে দ্বিতীয় বিডিওকে বরখাস্ত করল কমিশন।

    প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবারই হাঁসখালির বিডিওকে বরখাস্ত করেছে কমিশন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। হাঁসখালির বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে গত ২৭ মার্চ নদিয়া জেলার হাঁসখালি উন্নয়ন ব্লকের অন্তর্গত রানাঘাট দেবনাথ ইনস্টিটিউশন (গার্লস অ্যান্ড কো-এড) স্কুলে প্রিসাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় সংঘর্ষের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই সংঘর্ষে সৈকত চ্যাটার্জী নামক একজন শিক্ষক মাথায় আঘাত পেয়েছেন এবং রানাঘাট থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    রাজ্যকে লেখা চিঠিতে এই ঘটনার জন্য সায়ন্তনকে দায়ী করা হয়েছে। কমিশনের অভিযোগ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সার্বিক দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রোটোকল বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন সায়ন্তন। কমিশনের আরও অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের দায়িত্বের প্রতি উদাসীনতার কারণে সৃষ্ট এই ঘটনার ফলে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির জন্য কমিশনের প্রচেষ্টা কলঙ্কিত হয়েছে।

    গত সপ্তাহে একদিনে রাজ্যের বিডিও এবং বিভিন্ন থানার ওসি-সহ ২৬৭ জন আধিকারিককে অপসারণ করেছিল কমিশন। সোমবার এর বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আবেদন করে তৃণমূল। মঙ্গলবার মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ সরকারি আধিকারিকদের অপসারণ নিয়ে তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।
  • Link to this news (আজকাল)