আদালতের তরফে একটি নির্দিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করা হয় বলে জানা গিয়েছে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দেশের সর্বোচ্চ আদালত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখে। তবে তৃণমূলের মতে, বাংলার সামাজিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ঐতিহ্যকে খাটো করে দেখানোর কোনও সুযোগ নেই।
প্রসঙ্গত, বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা আদালতের পর্যবেক্ষণকে সামনে রেখে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শাসক দলের তরফে বলা হয়েছে, বাংলায় নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই সমস্ত কাজকর্ম হয়। মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় প্রশাসন সব সময় সতর্ক থাকে। বরং বিরোধীরাই অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্য ও পাল্টা প্রতিক্রিয়া রাজ্যের রাজনৈতিক আবহকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। তবে সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ নির্বাচন, এবং সেই দিকেই নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।