বিহারে চোলাই মদ খেয়ে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। চোলাই মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ১৫ জন। বিহারের পূর্ব চম্পারণ জেলায় শুক্রবার ওই ঘটনা। অসুস্থদের মধ্যে ছয় জনের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁদের মোতিহারির জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এক মাসেরও কম সময়ে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার দুর্ঘটনা ঘটল। পূর্ব চম্পারণের জেলাশাসক সৌরভ জোরওয়াল অবশ্য দাবি করেছেন, তুরকাউলিয়া ও রঘুনাথপুর থানা এলাকায় চোলাই মদ খেয়ে মারা গিয়েছেন চার জন। ওই জেলার পুলিশ সুপার শরণ প্রভাত জানিয়েছেন, তুরকাউলিয়া থানার ওসি উমাশঙ্কর মানঝিকে কর্তব্যে গাফিলতির কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিহারে ক্ষমতা এসে মদ নিষিদ্ধ করেছিলেন নীতীশ কুমার। অভিযোগ, তাতেও লুকিয়েচুরিয়ে মদ বা চোলাই মদ খাওয়ার প্রবণতা কমেনি।
প্রচারে বেরিয়ে হেনস্থার মুখে অধীর চৌধুরী। বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থীকে হেনস্থার অভিযোগ তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে তিনি বহরমপুর পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে বেরিয়ে ছিলেন। সেই সময়ে ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ভীষ্মদেব কর্মকারের নেতৃত্বে এক দল কর্মী-সমর্থক অধীর চৌধুরীর প্রচারে বাধা সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ।
উত্তরপ্রদেশের মিরাটে দেশি মদ খেয়ে তিন জনের মৃত্যু। পুলিশ জানায়, মৃতেরা দৌরালা থানা এলাকার বাসিন্দা। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিন জনেই দেশি মদ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। মিরাটের এক হাসপাতালে তাঁদের ভর্তি করানো হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তাঁরা মারা যান। মিরাটের সিনিয়র পুলিশ সুপার অবিনাশ পান্ডে জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে মৃত্যু তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জানা যাবে। যে দোকান থেকে ওই মদ কেনা হয়েছিল, সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন আবগারি দপ্তরের অফিসাররা। তবে অন্য কোনও জায়গা থেকে আরও কোনও মৃত্যুর খবর মেলেনি।
মহারাষ্ট্রের নাসিকে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। মৃত একই পরিবারের ৯ সদস্য। ডিন্ডোরি তালুক এলাকায় একটি যাত্রীবোঝাই গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারের গভীর কুয়োতে পড়ে যায়। মৃতরা সকলেই মহারাষ্ট্রের ইন্দোর গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার রাত ১০টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল। গভীর রাত পর্যন্ত চলে উদ্ধারকাজ। ইতিমধ্যেই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মুম্বইয়ে Oil and Natural Gas Corporation (ONGC)-এর হাই অ্যাসেটের SHP প্ল্যাটফর্মে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার বিকেল প্রায় পৌনে ছ’টায় আগুন লাগার বিষয়টি নজরে আসে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভানো হয়েছে।এই ঘটনায় ১০ জন কর্মী সামান্য আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা চিকিৎসাধীন। সকলের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে। ONGC জানিয়েছে, বর্তমানে প্ল্যাটফর্মে সমস্ত কাজ স্বাভাবিক হয়েছে।