চণ্ডীগড়ে (Chandigarh) বিজেপির পার্টি অফিসের (BJP Party Office) সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল। ঘটনার পিছনে পাকিস্তানি (Pakistan) গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর হাত থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পর্তুগাল এবং জার্মানিতে থাকা কয়েক জন বিদেশি হ্যান্ডলারের খোঁজও মিলেছে। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ।
বুধবার বিকেলে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৭-এ পাঞ্জাব বিজেপির সদর দপ্তরের বাইরে জোরালো বিস্ফোরণ হয়। দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এসে হ্যান্ড গ্রেনেড বা IED ছুড়ে পালায় বলে অনুমান পুলিশের। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গাড়ি ও স্কুটার। পার্টি অফিসের দেওয়ালে স্প্লিন্টারের দাগ পাওয়া গিয়েছে। তবে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
বিস্ফোরণের পরেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হয় CCTV ফুটেজ। এর পরেই এ দিন গ্রেপ্তারির কথা জানিয়ে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে পাঞ্জাব পুলিশের ডিজি গৌরব যাদব লেখেন, ‘পাঞ্জাব পুলিশের কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স শাখা এবং চণ্ডীগড় পুলিশের যৌথ অভিযানে পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলায় সরাসরি জড়িত দু’জনকেও শনাক্ত করেছে পুলিশ।’ ধৃতদের কাছ থেকে একটি ৩০ বোরের পিস্তল, কার্তুজ, একটি গ্রেনেড এবং বিস্ফোরকও উদ্ধার করা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের একটি দল তল্লাশি চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হামলার পিছনে বড়সড় চক্র রয়েছে বলেও দাবি করেছেন পাঞ্জাব পুলিশের ডিজি। তিনি বলেন, ‘হামলার একাধিক সাব মডিউল কাজ করেছে।’ কেউ অস্ত্রের জোগান দিয়েছেন, কেউ করেছেন গাড়ির ব্যবস্থা। তিনি আরও জানিয়েছেন, পর্তুগাল এবং জার্মানিতে বসে থাকা বিদেশি হ্যান্ডলাররা নির্দেশ দিতেন ধৃতদের।
ইতিমধ্যে বিজেপির পার্টি অফিসে হামলার দায় স্বীকার করেছে বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল। একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সংগঠনের সদস্য সুখজিন্দর সিং বব্বর বলেন, ‘পাঞ্জাবের মাটি খালসার মাটি। একদিন খালিস্তান হবেই।’ তবে ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় অনলাইন। এই ভিডিয়োটিও খতিয়ে দেখছে পাঞ্জাব পুলিশ।