বিজেপির (BJP) হয়ে প্রচারের অভিযোগ উঠেছিল উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি (Panihati) বিধানসভা কেন্দ্রের সেক্টর অ্যাসিস্ট্যান্ট অতনু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে অভিযোগও জানিয়েছিল তৃণমূল (TMC)। অবশেষে শনিবার তাঁকে সাসপেন্ড করল প্রশাসন। পাশাপাশি অতনুর বিরুদ্ধে শোকজ় নোটিস জারি করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পানিহাটি কেন্দ্রের সেক্টর অ্যাসিস্ট্যান্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল চৌধুরীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অতনু চক্রবর্তীকে। সম্প্রতি তাঁর একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। অভিযোগ, সেখানে বিজেপির পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। তার পরেই সেক্টর অ্যাসিস্ট্যান্টের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল।
এ দিন অতনুকে সাসপেনশনের নোটিস দিয়ে প্রশাসন লিখেছে, ‘এই ধরনের আচরণ জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর পরিপন্থী। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কোনও আধিকারিককে তা মানায় না।’ তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতি ও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এরপরই তাঁকে সেক্টর অ্যাসিস্ট্যান্ট পদ থেকে অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি কেন তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানাতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘নির্বাচনের সময় সমস্ত ভোটকর্মীর নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনও অভিযোগ সামনে এলে তা খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, এর আগে তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগে খণ্ডঘোষের জয়েন্ট বিডিও জ্যোৎস্না খাতুনকে সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে ভোটকর্মীদের ট্রেনিং কেন্দ্রে প্রোটোকল বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে হাঁসখালির বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকেও। এ বার সেই তালিকায় যোগ হলো সেক্টর অফিসারের নামও।