• ভারতে জ্বালানির সংকট নেই স্পষ্ট জানাল পেট্রলিয়াম মন্ত্রক
    বর্তমান | ০৫ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অর্থনীতি টালমাটাল। শেয়ার বাজারে বিপুল ধস। অশোধিত তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বগামী। টাকার রেকর্ড পতন। রপ্তানি বাণিজ্যে ধাক্কা। একসঙ্গে এতগুলি ফ্যাক্টর অর্থনীতিকে খাদের কিনারার দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। যে কারণে এই সমস্যাগুলির সূত্রপাত, সেই পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ যে অচিরেই থেমে যাবে এমন সম্ভাবনা কম। অতএব সেই অনিশ্চয়তা আরও গ্রাস করছে অর্থনীতিকে। সবেমাত্র নতুন আর্থিক বছর শুরু হয়েছে। সেই সময় একের পর এক দুঃসংবাদ ভারত সরকারের পক্ষে বিপজ্জনক। তাই পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাওয়ার আগে মরিয়া মোদি সরকার জ্বালানি নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়ে অর্থনীতিকে রক্ষা করার প্রবল চেষ্টা চালাচ্ছে। শনিবার জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে সব জল্পনা, উদ্বেগ, গুজব, গুঞ্জন উড়িয়ে কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়াম মন্ত্রক জানিয়ে দিল ভারতে কোনও জ্বালানি সংকট নেই। পেট্রল ডিজেল, রান্নার গ্যাস, তিনটিই পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। ইরান সহ ৪০টি দেশ থেকেই ভারত তেল আমদানি করে। যথারীতি অব্যাহত রয়েছে অশোধিত তেল আমদানি। নির্ধারিত অর্থ দিতে না পারায় ভারতের উদ্দেশে ইরান থেকে আসা জ্বালানি জাহাজ চীনের দিকে চলে গিয়েছে বলে প্রচার চলছে। পেট্রলিয়াম মন্ত্রক অবশ্য বলেছে, যে বা যারা এই ধরনের কথা বলে, তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রক্রিয়া, পেমেন্ট, ডেলিভারি এসব সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। এরকম কিছুই হয়নি। পক্ষান্তরে পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের কথায়, ভারতে আগামী কয়েকমাসের জন্য যথেষ্ট এবং প্রয়োজনের থেকে বেশি তেল, এলপিজি মজুত রয়েছে। আর এই মজুত থাকার পাশাপাশি নিয়ম করে যে আমদানি হওয়ার কথা সেটাও হয়ে চলেছে। তাই কোনো সংকটের সম্ভাবনা নেই। পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের পক্ষ জেথকে এলপিজি নিয়ে বলা হয়েছে, যে প্যানিক বুকিং করা হচ্ছিল, সেটি অনেক কমে গিয়েছে। বুকিং এর সময়সীমা বাড়িয়ে দিলেও তার বিরূপ প্রভাব পড়েনি। বুকিং এর পর যথাসময়ে পাওয়া যাচ্ছে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার। এলপিজি সাপ্লাই অব্যাহত রয়েছে। বিস্তারিত সাপ্লাই তথ্য জানানোর কারণ, শিল্পমহলকে বার্তা দেওয়া যে, ভারত অন্য দেশের তুলনায় জ্বালানি নীতি কার্যকর করায় অনেক এগিয়ে রয়েছে।  
  • Link to this news (বর্তমান)