• দ্বন্দ্ব ভুলে গৌতমের মনোনয়নে মৃণাল, অম্বরিশ, সুভাষ, প্রশান্তরা
    বর্তমান | ০৫ এপ্রিল ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনি সভা করার পরই জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে একতার ছবি ফুটে উঠল। শনিবার ছিল গঙ্গারামপুরের তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাসের মনোনয়ন। সেখানেই ঐক্যবদ্ধ তৃণমূলকে দেখা গেল। দলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল, প্রাক্তন জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার, যুব জেলা সভাপতি অম্বরিশ সরকার, গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র সহ জেলার হেভিওয়েট নেতাদের নিয়ে বিরাট মিছিল করলেন গৌতম। গঙ্গারামপুর থেকে গাড়ির কনভয় নিয়ে কর্মীরা বালুরঘাটে আসেন।

    বালুরঘাট শহরের দিশারী মাঠ থেকে মিছিলটি বেরিয়ে জেলা প্রশাসনিক ভবনে এসে পৌঁছায়। সেসময় জেলা কংগ্রেসের চার প্রার্থীও মিছিল করে  মনোনয়ন জমা দিতে আসেন। থানা মোড়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মিছিল কার্যত মুখোমুখি হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামে বালুরঘাট থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও কিছুক্ষণের জন্য তৃণমূলের মিছিলটি দাঁড়িয়ে যায়। কংগ্রেসের মিছিলটি বেরিয়ে যেতেই ফের রওনা দেয় তৃণমূলের মিছিল। 

    গঙ্গারামপুরের বিজেপি প্রার্থী সত্যেন্দ্রনাথ রায় গত ২ এপ্রিল মনোনয়ন জমা দিলেও এদিন এসেছিলেন নির্বাচনি এজেন্ট পরিবর্তন করতে। ফলে জেলা প্রশাসনিক ভবনে গৌতম ও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে দেখা হয়। দু’পক্ষের সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার হয়। তৃণমূল নেতা গৌতম, অম্বরিশ সহ অনেকেই সত্যেনকে ‘কাকা’ বলে সম্বোধন করেন। 

    মনোনয়ন প্রসঙ্গে গৌতম বলেন, গঙ্গারামপুর শহর এবং গ্রাম থেকে বহু মানুষ আজ এসেছে। আমাদের দলের নেতারাও ছিলেন। তবে প্রার্থীরা আসতে পারেননি। আমরা বরাবর ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। হয়তো যোগাযোগের অভাবে একটু সমস্যা হয়। তবে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। 

    এবার তৃণমূল কংগ্রেসকেই মানুষ ভোট দেবে। গঙ্গারামপুরের বিজেপি প্রার্থী সত্যেন্দ্রনাথ বলেন, তৃণমূলের মিছিলের লোক দেখে কিছু হয় না। ভোট এবার বিজেপিকেই দেবে মানুষ। কারণ গোটা রাজ্যে মানুষ এবার পরিবর্তন চাইছে। 

    এদিন ঢাক-ঢোল বাজিয়ে কংগ্রেসেরও চার প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। কংগ্রেসের জেলা সভাপতি গোপাল দেব বলেন, কুড়ি বছর পর আমরা প্রার্থী দিলাম। এবার আমাদের ফল ভালো হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)