নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নাম বাদ পড়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে। অথচ তাঁকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের ঘটনায় উঠছে নানা প্রশ্ন।
শাসনের গোলাবাড়ি পল্লিমঙ্গল হাইস্কুলের শিক্ষক মুন্সি সাদিকুল করিম। বাড়ি হুগলি জেলার খানাকুলের রামচন্দ্রপুর। পরিবারের প্রত্যেকের নাম ভোটার তালিকায় থাকলেও সাদিকুলের নাম ছিল বিচারাধীন। চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বের হতেই দেখা গিয়েছে, তাঁর নাম ডিলিট। অথচ বারাসতে প্রিসাইডিং অফিসারের প্রশিক্ষণও হয়েছে। এখন তিনি দোলাচলে। জেলা প্রশাসনের কাছেও সদুত্তর নেই বলেই দাবি শিক্ষকের। সাদিকুলের কথায়, আমি একজন ভারতীয় নাগরিক। বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছি। হঠাৎ করে আমার নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে গেল। অথচ আমাকে ভোট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই অবস্থায় আমি কীভাবে নিশ্চিন্তে দায়িত্ব পালন করব?
এই সমস্যার মূল কারণ হিসাবে উঠে আসছে নামের বানান বিভ্রাট। ২০০২ সালের সংশোধনের সময় তাঁর নাম মুন্সি সাদেকুল করিম থেকে মুন্সি সাদিকুল করিম করা হলেও সেই পরিবর্তন সঠিকভাবে নথিভুক্ত না হওয়ায় পরবর্তীতে ভোটার তালিকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়। ফলস্বরূপ, চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ পড়ে যায় বলে অভিযোগ। নিজস্ব চিত্র