তিনি মেদিনীপুরের প্রাক্তন সাংসদ। খড়্গপুর সদর বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়কও। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সেই দিলীপ ঘোষকেই ফের প্রার্থী করেছে দল। আর, খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে নগদ সাড়ে তিন লক্ষ টাকা হাতে নিয়ে এ বার ভোটের লড়াইয়ে তিনি।
শনিবারই মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন ৬১ বছরের দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সঙ্গে জমা দিয়েছেন হলফনামাও। তাতেই তিনি জানিয়েছেন সম্পত্তির খতিয়ান।
দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁর হাতে নগদ আছে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। আর, তাঁর স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদারের হাতে রয়েছে ৫০ হাজার টাকা। তবে তাঁদের নামে কোনও ঋণ এবং গয়না নেই বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
বিজেপির (BJP) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন, তিনি দলের সর্বক্ষণের কর্মী এবং তাঁর স্ত্রীর ব্যবসা আছে। ২০২৪-২৫ অর্থ বর্ষে তাঁর আয় ছিল ১৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮০০ টাকা এবং তার আগে অর্থ বর্ষে আয় হয়েছিল ৯ লক্ষ ৩৩ হাজার ৯৫০ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থ বর্ষে রিঙ্কুর ৬ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪২০ টাকা আয় হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
দিলীপ ঘোষ খড়্গপুরের (Kharagpur) ভোটার হলেও তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ঝাড়গ্রামের (Jhargram) কুলিয়ানা গ্রামে। সেখানে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বাড়ি এবং ১.৮৮ একর কৃষি জমিও আছে তাঁর। এ ছাড়াও কলকাতার লেদার কমপ্লেক্স এলাকায় ২০২২ সালে ৩৪৮৩ বর্গফুটের ফ্ল্যাট কিনেছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২৮ লক্ষ ৭৫ হাজার ৯৫০ টাকা। এ ছাড়াও অস্থাবর সম্পত্তির বর্তমান বাজারদর মোট ১ কোটি ৮৫ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫৮৯ টাকা।
হলফনামা অনুসারে, দিলীপ ঘোষের স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২২ লক্ষ ৯৮ হাজার ৩০১ টাকা। তাঁর নামে থাকা অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৭০ লক্ষ টাকা।
নিজের কোনও গাড়ি না থাকলেও স্ত্রীর নামে একটি গাড়ি আছে বলে জানিয়েছেন খড়্গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী।
এরই সঙ্গে দিলীপ জানিয়েছেন, ১৯৮২ সালে ঝাড়গ্রাম থেকে আইটিআই পাশ করেছেন তিনি।
তাঁর নামে মোট ২৮টি মামলা আছে বলেও হলফনামায় জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। এর মধ্যে আছে ৩০৭ ধারা বা খুনের চেষ্টার অভিযোগও। তবে কোনও মামলারই চার্জফ্রেম করা হয়নি।