প্রধানমন্ত্রীর সভা থেকে ফেরার পথে বিজেপির গাড়িতে হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ -১ ব্লকের মারুগঞ্জ এলাকায় ওই হামলা হয় বলে দাবি বিজেপির। তাদের অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। এই ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও।
রবিবার কোচবিহার (Coochbehar) রাসমেলা মাঠে বিজয় সংকল্প সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন তিনি। সেই সঙ্গেই রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister Narendra Modi)। তৃণমূলের বাধা এবং উস্কানিতে ভয় না পেয়ে সবাইকে নিজের ভোট নিজে দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
আর ওই সভা থেকে ফেরার পথে তুফানগঞ্জ -১ ব্লকের মারুগঞ্জ এলাকায় বিজেপি (BJP) কর্মীদের একটি গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীও (Central Forces) নামে।
বিজেপি নেতা তাপস প্রধানের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভা শেষ হওয়ার পর অটোতে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের বারোকোদালি-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। সেই সময়েই মারুগঞ্জ এলাকায় তৃণমূলের (Trinamool) মিছিল থেকে অতর্কিত ভাবে তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। হামলায় অটোর কাচ ভেঙে গিয়েছে। বিজেপির তিন কর্মীকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) তুফানগঞ্জ-১(ক) ব্লক সভাপতি সিদ্ধার্থ মণ্ডল। তাঁর দাবি, মারুগঞ্জ এলাকায় মিছিল চলছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। তখনই মোদীর সভা থেকে ফেরার পথে বিজেপির কর্মীরা গাড়ি থেকে তাঁদের মিছিল লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। সেই সময়ে বাইরের কিছু লোক প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মারধর এবং ভাঙচুরের অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেন তিনি।
তুফানগঞ্জ এসডিপিও কান্নেধারা মনোজ কুমার জানিয়েছেন, উত্তেজনা ছড়ালে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।