বিরোধী শূন্য হবে চন্দননগর, দাবি তৃণমূলের ইন্দ্রনীলের
আজকাল | ০৬ এপ্রিল ২০২৬
মিল্টন সেন, হুগলি: হাজার হাজার মানুষ। প্রায় ছ’কিলোমিটার দীর্ঘ র্যালি। শোভাযাত্রার সামনের অংশ মহকুমাশাসকের দপ্তরে পৌঁছে গেলেও শেষ প্রান্ত তখনও ছিল ভদ্রেশ্বরে। এভাবেই মনোনয়ন জমা দিলেন চন্দননগর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস, সোমবারের শোভাযাত্রা পরিষ্কার করে দিয়েছে চন্দননগরের ভোটের ফলাফল। বুঝিয়ে দিয়েছে কার্যত বিরোধী শূন্য চন্দননগর আসনে জয়ের ব্যবধান বাড়তে চলেছে।
মানুষের অসুবিধের কথা মাথায় রেখে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল বেলা ১২টা নাগাদ। প্রখর রোদ আর গরমকে উপেক্ষা করে সেই শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। মানকুন্ডু সার্কাস ময়দানে থেকে শুরু হয় র্যালি। শুরুতে ছিল চন্দননগর পুরনিগমের এক নম্বর ওয়ার্ড। নীল সাদা বেলুন, দলীয় পতাকা, নানা স্লোগান, ট্যাবলো, একাধিক প্রকল্পের ব্যানার, কাটআউট, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার হাতে পর পর সেই র্যালিতে যোগ দিল পুরনিগমের ৩৩টি ওয়ার্ড। প্রত্যেক ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা এগোতে থাকে। সুশৃঙ্খল ভাবে চন্দননগর জ্যোতির মোর হয়ে শোভাযাত্রা এগোতে থাকে মহকুমাশাসকের দপ্তরে উদ্দেশ্যে। শোভাযাত্রায় হাঁটেন মেয়র রাম চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল-সহ সকল কাউন্সিলর।
অন্যদিকে, ভদ্রেশ্বর থেকে ওই একই ভাবে শোভাযাত্রা শুরু হয়। পর পর ২২টি ওয়ার্ডের শোভাযাত্রা পৌঁছয় চন্দননগর জ্যোতির মোড়ে। শোভাযাত্রায় পা মেলান চেয়ারম্যান প্রলয় চক্রবর্তী, সিআইসি প্রকাশ গোস্বামী-সহ কাউন্সিলররা। এই দুই র্যালির সংযোগস্থল জ্যোতির মোড়ে শোভাযাত্রায় যোগ দেন প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে পৌঁছন মহকুমাশাসকের দপ্তরে।
এদিন ইন্দ্রনীল বলেন, তাঁর কেন্দ্রে বিরোধী নেই। থাকলে, দেওয়াল লিখন ছেড়ে দিলেও, একটা ফ্লেক্স বা ব্যানার নজরে পড়ত। শহরের কোথাও কিছুই নেই। এদিকে শুধু মাত্র মনোনয়নে সামিল হতে রোদ গরম উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ভোটের ফলাফল পরিষ্কার করে দিয়েছে। একইসঙ্গে পরিষ্কার করে দিয়েছে বাংলার ভবিষ্যৎ। তাঁর দাবি, চন্দননগরে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই বাড়বে। পঞ্চাশ হাজার পার করবে। বাংলায় চতুর্থবারের জন্য আবারাও মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে সরকার গড়বে তৃণমূল কংগ্রেস।