সম্প্রতি দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন ৫২ বছর বয়সি এই প্রাক্তন অলিম্পিয়ান। রাজনৈতিক জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরুর পরেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এর আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে এখন গেরুয়া শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে উঠে আসছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, লিয়েন্ডারের বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান, পাশাপাশি সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সামনে পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন থাকায়, বিজেপির প্রচারে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজনীতিতে যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার নিজেই বলেছেন, এটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার একটি বড় সুযোগ। বাংলার ছেলে হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তা এবং ক্রীড়াজগতের সাফল্যকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বিশেষ করে যুবসমাজ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে তাঁকে তারকা প্রচারক হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। টেনিস কোর্টের সাফল্য থেকে রাজনৈতিক ময়দানে এসে কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন তিনি সেটাই এখন দেখার।