রাজ্যের SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আজ অর্থাৎ ৬ এপ্রিল রাতে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে পারে। ফলত, সোমবার রাতেই ভোটার তালিকা ফ্রিজ় করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। যে ভোটারদের নাম ডিলিট হয়েছে অর্থাৎ যাঁদেরকে এ বার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে, তাঁর নাম ভোটার তালিকায় সংযোজিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। এর পরে মোট প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ‘বিচারাধীন’ বা ‘Under Adjudication’ ছিলেন। সেই ভোটারদের নথি যাচাই ও নিষ্পত্তি করার কাজ শুরু করেন হাইকোর্ট নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসাররা। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের অর্থাৎ ‘বিবেচনাধীন’ সব ভোটারের নথি যাচাই সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানাচ্ছে CEO অফিস।
এই ৬০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪৫% ভোটারের নাম অর্থাৎ প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম ডিলিটেড হয়েছে। এই ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে আর তালিকায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ প্রায় নেই। নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম দফা ভোটের আগে ভোটার তালিকা ফ্রিজ় করে দিতে হয়। তবে, রাজ্যের CEO দপ্তর সূত্রে খবর, কাল থেকেই যদি পুরোদমে ট্রাইব্যুনালের কাজ শুরু হয়, তা হলে দ্বিতীয় দফার ভোট (২৯ এপ্রিল)-এর মনোনয়নের শেষ দিন অর্থাৎ ৯ তারিখের মধ্যে কিছু ভোটারের কাজ ট্রাইব্যুনালে শেষ হয়, সেই নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হতে পারে বলে জানাচ্ছে CEO অফিস।
কমিশন জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রাইব্যুনাল থেকে আপিলের মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সুপ্রিম নির্দেশে মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের কাজের জন্য নিয়ম তৈরির কাজ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে তিন জন প্রাক্তন সিনিয়র প্রধান বিচারপতি বা বিচারপতিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করতে হবে। প্রধান বিচারপতি: এই কমিটি একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ঠিক করবে, যা ১৯টি ট্রাইব্যুনালকেই বাধ্যতামূলক ভাবে অনুসরণ করতে হবে।