• মোহভঙ্গ! জনতা উন্নয়ন পার্টির জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা ঘোষিত প্রার্থীর
    এই সময় | ০৭ এপ্রিল ২০২৬
  • জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠা করেই ইব্রার হোসেনকে পশ্চিম মেদিনীপুর (West Midnapore) জেলার সভাপতি করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। খড়গপুর গ্রামীণ বিধানসভার প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণাও করেন হুমায়ুন। তবে মনোনয়ন পত্র জমা দেননি ইব্রার হোসেন। উল্টে জনতা উন্নয়ন পার্টির থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গেই হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) সম্পর্কে নানা কুরুচিকর মন্তব্যও করেন তিনি। হুমায়ুনের ছবিতে জুতো দিয়ে মারার পাশাপাশি তাতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়।

    তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরেই নতুন দল গঠন করেন হুমায়ুন কবীর। জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠার পরেই দলে যাঁদের বিভিন্ন পদ দেওয়া হয়েছিল তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইব্রার হোসেন। প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করাও হয়। কিন্তু, সোমবার, মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি তা জমা দেননি। বরং মনোনয়ন পত্র জমা না দিয়ে দল ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। সোমবারই নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ইব্রার।

    জনতা উন্নয়ন পার্টির জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পাশাপাশি দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এ দিন ভিডিয়ো কল করে হুমায়ুনকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    কেন এই সিদ্ধান্ত তাও জানিয়েছেন ইব্রার। তিনি বলেন, ‘বিজেপির কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছেন হুমায়ুন কবীর।’

    ইব্রার হোসেনের বাড়ি খড়্গপুরের (Kharagpur) কলাইকুণ্ডা এলাকায়। এ দিন তাঁর বাড়ির পার্টি অফিসে দলের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে হুমায়ুন কবীরের ছবিতে জুতোও মারেন ইব্রার। তাতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে বিভাজনের চেষ্টা চলছে। সেই রাজনীতি করতে চান না তিনি। হুমায়ুন কবীর যে বিজেপির (BJP) সঙ্গে হাত মিলিছেন তার প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি তাঁর। এই নিয়ে আগামী দিনে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

  • Link to this news (এই সময়)