• কলকাতাকে হুমকি পাক মন্ত্রীর, মোদীর নীরবতায় তীব্র আক্রমণ মমতার
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ০৭ এপ্রিল ২০২৬
  • একইসঙ্গে ভবানীপুরের সঙ্গে নিজের আবেগের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ভবানীপুর আমার ঘর। এখানকার মানুষ আমার পরিবার। এই জায়গা ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ এদিন মুখ্যমন্ত্রীর এই আবেগঘন বক্তব্যে জনসভায় উপস্থিত সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও কাশ্মীরের পহেলগামের জঙ্গিহানার পর থেকেই ভারত-পাক সম্পর্ক ক্রমশ খারাপ হয়েছে। সেই আবহেই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য নতুন করে পরিস্থিতি জটিল করেছে। তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট, ভবিষ্যতে কোনও সংঘাত তৈরি হলে তার প্রভাব বাংলাতেও পড়তে পারে। এই ইঙ্গিতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বেথুয়াডহড়ির সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা সব সময় দেশকে পথ দেখায়। কিন্তু যখন বাংলার উপর সরাসরি হুমকি আসে, তখন দেশের প্রধানমন্ত্রী কেন একবারও সেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন না?’ তাঁর অভিযোগ, দেশের নিরাপত্তার মতো গুরুতর বিষয়ে কেন্দ্রের এই নীরবতা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়।

    মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটা কি শুধুই কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে? নির্বাচনের আগে আবার নতুন করে কোনও অশান্তির ছক কষা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।’ তাঁর দাবি, বাংলাকে লক্ষ্য করে যদি কোনও ধরনের আক্রমণাত্মক মনোভাব নেওয়া হয়, তাহলে বাংলার মানুষও তার জবাব দিতে প্রস্তুত।

    শুধু আন্তর্জাতিক ইস্যুই নয়, এদিন রাজ্য রাজনীতির ময়দানেও বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে তিনি জানান, সেখানে কোনওভাবেই বিজেপি জয় পাবে না। তাঁর কথায়, ‘আমার ভবানীপুরে ৪০ হাজার নাম কেটেছে, তাতে কিছু যায় আসে না।’ বিরোধী দলনেতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘এবার তোমার আমও যাবে, ছালাও যাবে।’
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)