• ইউক্রেনে হত উত্তরপ্রদেশের যুবকের মৃতদেহ ফিরল গ্রামে
    বর্তমান | ০৭ এপ্রিল ২০২৬
  • বেরিলি: মাত্র ২২ বছর বয়স। উত্তরপ্রদেশের রামপুরের মাওয়াসি গ্রাম থেকে কাজের সূত্রে বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় সেই মহম্মদ শভেদের দেহ ফিরল গ্রামে। পরিবারের লোকজন এখন জানতে পারছেন, ঘরের ছেলেকে জোর করে ইউক্রেনে যুদ্ধে পাঠিয়েছিল রাশিয়া প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার যুদ্ধের ময়দানেই গুলি লেগে তাঁর মৃত্যু হয়। শভেদের দাদা শাহবাজের অভিযোগ, ভাইকে জোর করে সেনার পোশাক পরিয়ে ইউক্রেনে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল। 

    ন’মাস আগে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন শভেদ। প্রথমে তিনি পরিবারকে জানিয়েছিলেন, তিনি স্টিলের আসবাবের দোকানে কাজ করেন। প্রথমে সব কিছু ঠিক থাকলেও পরে তাঁকে জোর করে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হয়। তবে তা কীভাবে ঘটল, তা শভেদ কখনো পরিষ্কার করে জানাননি পরিবারকে। রামপুরের পুলিশ সুপার সোমেন্দ্র মীনা বলেন, শভেদকে ইতিমধ্যেই কবর দেওয়া হয়েছে। গ্রামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। তবে এই ঘটনা নিয়ে যাতে কোনোভাবে উত্তেজনা না ছড়ায়, সেদিকে পুলিশ খেয়াল রাখছে। 

    এক গ্রামবাসী মহম্মদ আবিদ বলেন, পরিবারের অন্ন সংস্থানের জন্যই শভেদ বিদেশে গিয়েছিল। সারাদিনই কাজের মধ্যে থাকত। তার ছোটোভাই নভেদ মানসিক প্রতিবন্ধী। তাঁর বাবা দুলহে হাসান দুধ বিক্রি করে সংসার চালান। শভেদ সেই কারণেই বাড়তি অর্থ রোজগারের আশায় রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। তবে ঘরের ছেলের পরিণতি যে এতটা করুণ হবে তা পরিবার তো বটেই, গোটা গ্রামও মেনে নিতে পারছে না। 
  • Link to this news (বর্তমান)