• উত্তর সিকিমের লাচেনে ধস পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা
    বর্তমান | ০৭ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: টানা বৃষ্টির জেরে তারাম চু নদীর উপর বেইলি ব্রিজের কাছে ভয়াবহ ধসের জেরে বিপর্যস্ত লাচেন ও গুরুদংমার লেক যাওয়ার রাস্তা। আটকে পড়েছিলেন বহু পর্যটক। আজ উত্তর সিকিমের লাচেনে ধস পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন মঙ্গনের জেলাশাসক অনন্ত জৈন, পুলিশ সুপার এলবি ছেত্রী, চুংথাংয়ের মহকুমা শাসক অরুণ ছেত্রী, চুংথাংয়ের এসডিপিও চন্দন ছেত্রী। ধসের জেরে ক্ষয়ক্ষতি ক্ষতিয়ে দেখেন তাঁরা। পাশাপাশি ধস কবলিত রাস্তা মেরামত করে চালু করতে কত সময় লাগতে পারে, এক্ষেত্রে কী কী অসুবিধার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তা নিয়ে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা।

     ধসের জেরে লাচেন যাওয়ার যে রাস্তাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে বিআরও অর্থাৎ বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন। তারাম চুতে সড়কের ক্ষতির ফলে চুংথাং-লাচেন রোড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দ্রুত পুনঃস্থাপনের সম্ভাবনা ও ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়নের জন্য তারা আজ আলোচনা করেছেন। পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের বিস্তারিত মূল্যায়ন করা হয় এবং বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়, যার মধ্যে ৮৬ আরসিসি-এর কমান্ডার ও অফিসার কমান্ডিং রয়েছেন। তারা এই সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনঃস্থাপনের দায়িত্ব নেবেন। 

    হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানিয়েছিলেন, ‘টানা বৃষ্টির কারণে তারাম চু নদীর উপর বেইলি ব্রিজের কাছে এই ভয়াবহ ধস নেমেছিল’। লাচেনে পর্যটকদের অনেকেই তখন আটকে পড়েছিলেন। সিকিম প্রশাসন জানিয়েছিল যে, তাঁরা যেন এখনই লাচেন ছাড়ার চেষ্টা না করেন। বিকল্প পথে পর্যটকদের ফেরানোর চেষ্টা চলেছিল, কিন্তু তখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল বৃষ্টি ও তুষারপাত। মার্চের শেষ সপ্তাহেই উত্তর সিকিমের চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার পথে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছিল। এর ফলে অন্তত দু’শো পর্যটক তখন আটকে পড়েছিলেন। এখনো প্রায় অনেক পর্যটক আটকে আছেন উত্তর সিকিমের এই অংশে। খুব তাড়াতাড়ি এর সমাধান করা হবে বলে আজ আশ্বাস দিয়েছেন আধিকারিকেরা। 
  • Link to this news (বর্তমান)