নভেম্বরে মোয়া হাব চালু হবে, দাবি তৃণমূল প্রার্থীর, কটাক্ষ বিরোধীদের
বর্তমান | ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদদাতা, বারুইপুর: জয়নগরের মোয়া বিখ্যাত। জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর এই মিষ্টান্ন আরও নামজাদা হয়ে উঠেছে। মোয়ার ব্যবসার প্রসার ঘটাতে উদ্যোগী রাজ্য সরকারও। জয়নগর-মজিলপুর পুর এলাকায় খাদি গ্রামীণ শিল্প বোর্ড মোয়া হাবের বাড়িও তৈরি করে ফেলেছে। ইতালি থেকে প্যাকেজিংয়ের মেশিনও এসে গিয়েছে।
জয়নগর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী পেশায় শিক্ষক বিশ্বনাথ দাস বলেন, ‘নভেম্বর মাসের শুরুতেই হাব চালু হয়ে যাবে। মোয়া ব্যবসায়ীরা এই খবরে খুশি।’ যদিও হাব শুরু হতে দেরি হওয়ার বিষয়টিকে কটাক্ষ করছেন বিরোধী প্রার্থীরা। সিপিএমের প্রার্থী অপূর্ব প্রামাণিক বলেন, ‘মোয়া হাব নিয়ে উদাসীন শাসকদল। কেন এত দেরি হচ্ছে? ব্যবসায়ীরা মোটেও খুশি ন।’ বিজেপি প্রার্থী অলোক হালদার বলেন, ‘মোয়া হাব শীতের শুরুতে চালু হওয়ার কথাটি আসলে ভোটের আগের দেওয়া প্রতিশ্রুতি। কেন এতদিনেও উদ্যোগ নেওয়া হল না।’
জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে চারকাঠা জমিতে হাব তৈরি হয়েছে। ২ কোটি ১২ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। দোতলা ভবনটিতে থাকবে কমন ফেসিলিটি সেন্টার। বিদেশি আধুনিক প্যাকেজিং মেশিন ব্যবহার হবে। এর ফলে মোয়া রপ্তানি সহজ হবে বলে মনে করছেন বহড়ু ও জয়নগরের মোয়া ব্যবসায়ীরা। জয়নগরের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল বলেন, ‘একটু সমস্যার জন্য দেরি হয়েছে। দ্রুত চালুর পরিকল্পনা আছে।’ জয়নগরের বিদায়ী বিধায়ক তৃণমূলের বিশ্বনাথ দাস বলেন, ‘মোয়ার প্রসারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক চেষ্টা করছেন। তিনি মোয়া হাবের ঘোষণা করেছিলেন। যা আজ হয়ে গিয়েছে। মোয়া ব্যবসায়ীদের সুদিন আসবে এই শীতে। তৃণমূল আসার পর নলেন গুড় সংরক্ষণ করে মিষ্টি শিল্পের উন্নতি করা হবে।’ বহড়ুর মোয়া ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘আমরা চাই দ্রুত হাব চালু হোক।’ সিপিএমের প্রার্থী অপূর্ব প্রামাণিক বলেন, ‘হাব নির্মাণ হয়ে পড়ে আছে কেন? তা আগেই চালু করা যেত।’ বিজেপি প্রার্থী অলোক হালদার বলেন, ‘মোয়া নিয়ে রাজ্যের শাসকদল নীরব থাকায় হাব চালু হয়নি। মেশিন পড়ে আছে। এর জবাব ভোটে দেবেন ব্যাবসায়ীরা।’