• রাস্তা চাই, নয়তো ভোট নয়, নির্বাচনের মুখে সরব ভোটাররা
    এই সময় | ০৭ এপ্রিল ২০২৬
  • হলদিয়া ও চন্দ্রকোণা: একটা দাবি, রাস্তা যেন হাঁটাচলার উপযুক্ত হয়। অথচ সেই দাবিই বার বার ধাক্কা খেয়েছে প্রশাসনের দরজায়। নিরুপায় বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে বিধানসভা ভোটকেই বেছে নিয়েছেন দাবি পূরণ করার মঞ্চ হিসেবে। ভোট এলে সব দলই নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। তাকেই হাতিয়ার করে সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণার মানুষ দাবি তুললেন, রাস্তা চাই, নয়তো ভোট নয়। চন্দ্রকোণার রাঙামাটি গ্রামের রাস্তা অল্প বৃষ্টিতেই কাদা হয়ে যায়।

    স্কুল-কলেজ থেকে হাসপাতাল, নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে এই রাস্তাই গ্রামবাসীদের ভরসা। কিন্তু এখনও তা পাকা হয়নি। বেহাল রাস্তায় গ্রামে বড় গাড়ি তো ঢোকেই না। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত ঢুকতে পারে না বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর। গ্রামবাসী আশিস চক্রবর্তী, অঞ্জলি কোটাল বলেন, 'প্রতিবারই ভোটের আগে আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু নতুন রাস্তা দূরের কথা। মেরামত পর্যন্ত হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে সবাই একজোট হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি।'

    মানিককুণ্ডু পঞ্চায়েতের প্রধান শম্ভু মুর্মু বলেন, 'প্রায় এক কিলোমিটার ওই রাস্তার অর্ধেক ঢালাই হয়েছে। গ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা হয়েছে। বাকি অংশের কাজও হয়ে যাবে।' নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের কালীচরণপুর পঞ্চায়েতের চক চিলিঙ্গা এবং সাত নম্বর জালপাই গ্রামের মানুষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন এলাকার রাস্তাগুলি বেহাল। এলাকার জনপ্রতিনিধি থেকে প্রশাসনিক দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েও কাজ হয়নি। তাই তাঁরা এ বার তারা বিধানসভা ভোটের আগেই রাস্তা সারাইয়ের দাবি তুলেছেন। নতুবা তাঁরা ভোটে অংশ নেবেন না। রকের দু'নম্বর মণ্ডল সভাপতি সুদীপ দাস বলেন, 'ওই বুথ এলাকা থেকে তৃণমূলের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। উন্নয়ন না হওয়ায় তাঁরই দোষ।' ব্লক তৃণমূল কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গের অভিযোগ, 'নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির, এলাকার সাংসদ বিজেপির। অনুন্নয়নের জন্য বিজেপি দায় এড়িয়ে যেতে পারে না।'

  • Link to this news (এই সময়)