তিনি বলেন, “আমি যখন মালদহ থেকে মিটিং করে ফিরছিলাম, তখন আমার হেলিকপ্টারের সামনে একটি ড্রোন ঘুরছিল। ধাক্কা লাগলে হেলিকপ্টারটা ধ্বংস হয়ে যেত। কারা ওড়াচ্ছিল? বিহারের তিনজন ধরা পড়েছে। টার্গেটটা কী? আমার জীবন কেড়ে নেওয়া?”তিনি আরও বলেন, “আমাকে মেরে ফেলতে চাইলে ফেলুন, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু যতদিন বেঁচে থাকব, আপনাদের বিরুদ্ধে গলা তুলব।
আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না।” সূত্রের খবর, মালতীপুরে সভায় যাওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নজরে আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও এই ঘটনায় সরাসরি কারও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক ইঙ্গিত স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
অন্যদিকে, কয়েকদিন আগেই রাজ্যে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অভিযোগ করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলছেন। তাঁর কথায়, “এই ভিকটিম কার্ডের রাজনীতি বাংলার মানুষ বুঝে গিয়েছে। এভাবে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা বাংলার সংস্কৃতি নয়।” ড্রোন-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। ভোটের আগে এই ঘটনা ঘিরে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।