ঘটতে পারত বড় বিপদ। তবে তখনও যাত্রীরা কেউ বিমানে ওঠেননি বলে রক্ষে। মঙ্গলবার রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইন্ডিগোর একটি বিমানের ইঞ্জিনে ধাক্কা মেরেছে ফ্লাইট কেটারিংয়ের একটি গাড়ি বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও বড় ক্ষতি হয়েছে বিমানটির। এতটাই ক্ষতি হয়েছে যে বিমানটিকে আপাতত বসিয়ে দিতে হয়েছে।
কলকাতা থেকে গুয়াহাটি যাবে বলে কলকাতা বিমানবন্দরের ৫১ নম্বর স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েছিল ইন্ডিগো সংস্থার বিমানটি, মডেল এয়ারবাস ৩২০। রাত তখন প্রায় ন’টা। যাত্রীরা তখনও বিমানে ওঠেননি। বিমানের কর্মীদের আসতে দেরি হওয়াতেই বোর্ডিং তখনও শুরু হয়নি।
এই সময়ে ওই বিমানের কাছেই ফ্লাইট কেটারিংয়ের গাড়িটি গিয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। বিমানবন্দরের একটি সূত্রের খবর, সেই কেটারিং গাড়ির চালক গাড়ির হ্যান্ড ব্রেক না তুলেই গাড়ি থেকে নেমে যান। অভিযোগ, এর পরে সেই গাড়িটি গড়িয়ে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বিমানটির ইঞ্জিনে ধাক্কা মারে।
এর পরেই বিমানটিকে বসিয়ে দেওয়া হয়। রাতে অন্য বিমানে গুয়াহাটি পাঠানো হয় ওই বিমানের যাত্রীদের। কলকাতা বিমানবন্দরের ডিরেক্টর বিক্রম সিং বলেছেন, ‘ঘটনায় কেউ আহত হননি। তবে বিমানটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারেরা সেখানে গিয়েছেন। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
এর আগে সোমবার রাতেও প্রায় একই ধরনের দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। প্রবল ঝড়ের দাপটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ল্যাডার-কার (সিঁড়ি টানা গাড়ি) ২৩ নম্বর স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বোয়িং বিমানের পেটে ধাক্কা মারে। সেই বিমানকেও বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খারাপ আবহাওয়ার জেরে কলকাতা বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা ব্যাহত হয়। প্রায় আধঘণ্টা পরিষেবা বন্ধ থাকায় একাধিক বিমানকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর।