হবিবপুরে জোর প্রচারে নামছে তৃণমূলের শাখা সংগঠনগুলি
বর্তমান | ০৮ এপ্রিল ২০২৬
মৃত্যুঞ্জয় কর্মকার, হবিবপুর: হবিবপুরে জোরালো প্রচার শুরু করতে চলেছে তৃণমূলের বিভিন্ন শাখা সংগঠন। যুব ও ছাত্র, আইএনটিটিইউসি ও এসটি সেলের পক্ষ থেকে কর্মীদের নিয়ে পৃথকভাবে আলোচনা করে সংগঠনে যুক্ত সাধারণ সদস্যদের পরিবারের ভোট পাওয়া নিশ্চিত করতে চলছে পরিকল্পনা।
মঙ্গলবার ব্লক আইএনটিটিইউসির তরফে দেওয়াল লিখন করে প্রার্থীর হয়ে জনসংযোগ করেন কর্মীরা। ভোট ঘোষণার পর থেকেই নীচুস্তরের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূলের ব্লক নেতৃত্ব। প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতের বুথ এলাকায়
কর্মীদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংগঠন এখন অনেক মজবুত
বলে দাবি তাদের। তাছাড়াও ব্লকস্তরের বিভিন্ন শাখা সংগঠনের কর্মীদের সংঘবদ্ধ করায় জোর দিচ্ছে নেতৃত্ব।
এই সংগঠনগুলিতে ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকার সদস্য রয়েছেন। সারা বছর তাঁদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে পাশে থেকেছে দল। এবার তাঁদের পরিবারের ভোট নিশ্চিত করতে চায় তৃণমূল। আইএনটিটিইউসির হবিবপুর ব্লক সহ-সভাপতি মনোজিৎ ভকত বলেন, প্রার্থীর সমর্থনে সংগঠনের তরফে জোরালো প্রচার শুরু হয়েছে। সদস্যরা তাঁদের পরিবারের ভোট তৃণমূলকে দেওয়ার বিষয়ে বোঝাবেন বলে জানিয়েছেন।
পিছিয়ে নেই যুব ও ছাত্র সংগঠন। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে যুবসাথী প্রকল্পে মাসে দেড় হাজার টাকা করে ভাতার বিষয় তুলে ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে যুব নেতৃত্ব।
বামনগোলা ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি সুজয় সাহা বলেন, দলের বিধায়ক বিধানসভায় গেলে এলাকায় উন্নয়নের পাশাপাশি যুবকদের বিভিন্ন প্রকল্প পেতে সুবিধা হবে। তৃণমূল সরকার প্রচুর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে, যুবকদের সেবিষয়ে বোঝানো হচ্ছে।
আবার আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ভোট কুড়োতে জোর দিয়েছে এসটি সেল। সংগঠনের মালদহ জেলা সভাপতি কেষ্ট মুর্মু বলেন, তৃণমূলের বিধায়ক নির্বাচিত হলে আদিবাসীদের প্রকৃত উন্নয়ন হবে। জমি, বাসস্থান, ভাষা, শিক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক বেশি উন্নয়ন করা যাবে। বিজেপির উত্তর মালদহ সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বীণা কীর্তনীয়া বলেন, এসব করে গত বিধানসভায় তৃণমূলের কোনো লাভ হয়নি। এবারও তাদের কিছু হবে না।