স্বপনের ৫ কোটির ফ্ল্যাট, মদনের ১০ লক্ষের সোনা, কত টাকার মালিক বিকাশ-কুণাল?
আজ তক | ০৮ এপ্রিল ২০২৬
নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন পেশ করতে গিয়ে হলফনামায় বড় বড় করে লিখতে হচ্ছে সম্পত্তির পরিমাণ, দিতে হচ্ছে গাড়ি-বাড়ি-গয়না, এমনকী আয়ের উৎস বা মামলা-মোকদ্দমার বিস্তারিত বিবরণও। আর এই হিসেব-নিকেশের দাঁড়িপাল্লায়, লাল-সবুজ-গেরুয়া, কোন দলের কোন পুরুষ প্রার্থীরা এগিয়ে? সম্পত্তির নিরিখে পিছিয়ে কারা?
মদন মিত্র (TMC): কামারহাটির প্রার্থীর হাতে রয়েছে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা। ১ কোটি ১১ লক্ষ ৯ হাজার ৫৫০ টাকা রয়েছে মদন মিত্রের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। ১২ লাখি একটি গাড়ি রয়েছে তাঁর। গয়না রয়েছে ১০ লক্ষাধিক টাকার। মোট অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮৪৬ টাকার। মদন মিত্রের ২টি বাড়ি রয়েছে ৫৪ লক্ষ ৫০ হাজারের।
ফিরহাদ হাকিম (TMC): গত পাঁচ বছরে ফিরহাদের বার্ষিক আয় ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফিরহাদের নিজের নামে কোনও গাড়ি নেই। তাঁর কাছে ৭ কোটি ২৭ লক্ষ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। স্থাবর সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা। সোনা, রুপো এবং মূল্যবান পাথরের গয়নাও রয়েছে ফিরহাদের। সেগুলির দাম ১৭ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা। তবে ফিরহাদের হলফনামায় উল্লেখযোগ্য ED এবং CBI-এর মামলা।
সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় (CPIM): মহেশতলার প্রার্থীর হাতে রয়েছে ৫ হাজার টাকা। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা। একটি সেকেন্ড হ্যান্ড এবং একটি XUV গাড়ি রয়েছে সায়নের। সোনাদানা নেই। মোট অস্থাবর সম্পত্তি রেয়ছে ৬২ লক্ষ ৫০ হাজার ৩৬৬। সায়নের রয়েছে ২৩ লক্ষ টাকার একটি পৈতৃক জমি।
কুণাল ঘোষ (TMC): নিজের আয়ের উৎস হিসাবে বেতন, বই বিক্রির আয়ের অংশ, অভিনয় ও পরামর্শদাতা হিসাবে প্রাপ্ত পারিশ্রমিকের কথা উল্লেখ করেছেন কুণাল ঘোষ। ৫৮ বছরের কুণাল হলফনামায় জানিয়েছেন, তাঁর কাছে নগদ ২১ হাজার টাকা রয়েছে। কুণালের নামে অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১৩ লক্ষ ২৩ হাজার ১১৬ টাকা, ৪৯ হাজার ৭০১ এবং ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তাঁর নিজের নামে কোনও গাড়ি নেই। তাঁর কাছে ৫ গ্রাম সোনার গয়না রয়েছে। যার বর্তমান বাজারমূল্য ৭০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ১ কোটি ৭২ লক্ষ ৮০ হাজার ৯১৩ টাকা। কোনও স্থাবর সম্পত্তি নেই।