কড়া এআই নজরদারিতে ভোট, অনিয়ম রুখতে কমিশনের বড় পদক্ষেপ
দৈনিক স্টেটসম্যান | ০৮ এপ্রিল ২০২৬
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি বুথে নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মী ছাড়া অন্য কেউ ঢুকলেই সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে। নিয়ম অনুযায়ী বুথের ভিতরে থাকবেন এক জন প্রিসাইডিং অফিসার, তিন জন পোলিং অফিসার এবং প্রার্থী পিছু এক জন পোলিং এজেন্ট। এর বাইরে কেউ প্রবেশ করলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তা চিহ্নিত করবে।
শুধু প্রবেশ নয়, বুথের ভিতরে কোনও ব্যক্তি যদি ইভিএম যন্ত্রের সামনে নির্ধারিত সময়ের বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকেন, সেই ঘটনাও ধরা পড়বে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে। তখনই সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সতর্ক করা হবে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
বুথের ভিতরে ও বাইরে বসানো হবে একাধিক ক্যামেরা। এই ক্যামেরাগুলির মাধ্যমে সরাসরি ছবি পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে। সেখানে বসে একসঙ্গে প্রায় ৫০০টি বুথের উপর নজর রাখা যাবে। কোনও বুথে অতিরিক্ত ভিড় বা অনিয়ম ধরা পড়লেই পর্দায় সতর্ক সংকেত দেখা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।
এর পাশাপাশি ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম এবং স্ট্যাটিক সার্ভেলান্স টিম সারাক্ষণ সক্রিয় থাকবে। নজরদারি গাড়িগুলিতে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, যাতে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে টহল ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা যায়।
এই উদ্যোগে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। একই সঙ্গে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তি বড় ভূমিকা নেবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।