এই সময়, আসানসোল: পশ্চিম বর্ধমান জেলার নয়টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনিতে বাতিল হলো পাঁচটি মনোনয়ন। মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি— চারটি মনোনয়ন বাতিল হয়েছে আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভায়। তালিকায় রয়েছেন নির্দল প্রার্থী রাজন্যা হালদার। এ ছাড়া আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) ইমরান খান এবং দুই নির্দল প্রার্থী সুনীলচন্দ্র চৌরাসিয়া ও দীপিকা বাউড়ির মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে। অন্য দিকে, কুলটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী আস্তিক দাসের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
নিজের মনোনয়ন বাতিল হওয়া নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন রাজন্যা হালদার। তাঁর দাবি, ৬ এপ্রিল মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময়ে তাঁর ১০ জন প্রস্তাবকের মধ্যে ছ'জন পথে আটকে পড়েন। পরে নতুন করে অন্য ছ'জন প্রস্তাবক মহকুমাশাসকের দপ্তরে পৌঁছলেও, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে তাঁদের মনোনয়ন কক্ষের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। রাজন্যার অভিযোগ, এর পিছনে বিজেপির চক্রান্ত রয়েছে।
তাঁর আরও দাবি, একই সময়ে জামুড়িয়ার এক প্রার্থী বিকেল ৫টার সময়ে প্রস্তাবক নিয়ে এসেও মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন ও পশ্চিম বর্ধমানের ডিস্ট্রিক্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। পাশাপাশি, এই ইস্যুতে হাইকোর্টে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন রাজন্যা।
পশ্চিম বর্ধমান জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে খবর, জেলার নয়টি কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ৯৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। এর মধ্যে ২৯ জন নির্দল। স্ক্রুটিনির পরে পাঁচটি মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় বর্তমানে জেলায় বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০। আজ, বৃহস্পতিবার বিকেলে নাম প্রত্যাহারের সময়সীমা পেরোনোর পরে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।