এই প্রথম ভোট-রাজনীতিতে পা। তবুও বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম হেভিওয়েট প্রার্থী তিনি। প্রাক্তন কম্যান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তীকে উত্তরপাড়া আসনে প্রার্থী করেছে বিজেপি। এক সময়ে উর্দি পরে দেশের সুরক্ষার ভার সামলেছেন। অবসরের পরে রাজনীতিতে যোগ, তারপরেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন। ওই আসনে সিপিএমের প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রার্থী শীর্ষন্য বন্দ্যোপাধ্যায়।
মনোনয়ন জমা দিয়েছেন দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তাঁর সম্পত্তি কত?
হলফনামা অনুযায়ী দীপাঞ্জন চক্রবর্তীর হাতে নগদ রয়েছে ১৫০০০০ লক্ষ টাকা। এছাড়া, একটি সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১১১১৮৭ টাকা। নির্বাচনের জন্য খোলা একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে ২৫৫০০ টাকা। কোনও শেয়ার, বন্ড বা মিউচুয়াল ফান্ডে লগ্নি নেই। দীপাঞ্জনের ২টি গাড়ি রয়েছে, যার মোট মূল্য ২২ লক্ষ টাকা। এছাড়া ১০ গ্রাম সোনা রয়েছে তাঁর। এই সব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২৬১৩১৮৭ টাকা।
দীপাঞ্জনের স্ত্রীর হাতে নগদ রয়েছে ৪২৭০০ টাকা। এছাড়া, হলফনামা অনুযায়ী বেশ কিছু ফিক্সড ডিপোজ়িট, রেকারিং ডিপোজ়িট এবং সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সঞ্চয় রয়েছে। রয়েছে বিমাও। এছাড়া ৪১০ গ্রাম সোনা রয়েছে। সব মিলিয়ে অস্থাবর সম্পত্তির অঙ্ক ১৩৪৮২৬৯০ টাকা।
দীপাঞ্জন চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রীর কোনও কৃষি বা অ-কৃষি জমি নেই। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে, দীপাঞ্জন চক্রবর্তীর একটি বাড়ি রয়েছে, সেটির বর্তমান বাজারমূল্য ৫৫ লক্ষ টাকা, বাড়িটি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া।
হলফনামা অনুযায়ী দীপাঞ্জন চক্রবর্তী কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। তাঁর স্ত্রী গৃহবধূ।
বিজেপি প্রার্থী দীপাঞ্জন চক্রবর্তীর আয়ের উৎস পেনশন এবং সুদ। গত পাঁচ বছর ধরে তাঁর আয়কর তথ্য রয়েছে হলফনামায়। সেখানে দেখা গিয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ৩৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৪৬০ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী দীপাঞ্জন চক্রবর্তীর স্ত্রীর আয়ের কোনও উৎস দেখানো নেই। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আয়কর তথ্য অনুযায়ী তাঁর আয় ছিল ১০ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৫০ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী দীপাঞ্জন চক্রবর্তীর নামে কোনও মামলা নেই।
এরই মধ্যে এনএসজির ট্র্যাকসুট পরে প্রচার করেছিলেন দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ওই বিষয়ে বুধবার কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কেউ এনএসজি স্টার লাগিয়ে বা ওই পোশাক পরে প্রচার করতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হতে পারে। তবে ওই প্রার্থী কী পোশাক পরেছেন তা অবশ্যই বিবেচ্য বলেও জানিয়েছে কমিশন।