নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে সকাল ৯টা পর্যন্ত কেরালায় ১৬.২৩ শতাংশ, অসমে ১৭.৮৭ শতাংশ এবং পুদুচেরিতে ১৭.৪১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
লেবাননে ইজ়রায়েলের এয়ার স্ট্রাইকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই হামলায় ২৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১,০০০-র বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের সিভিল ডিফেন্স সার্ভিস। এই হামলা শুরু হয় আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে হওয়া একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পরপরই। তবে ওই চুক্তির আওতায় লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ওয়াশিংটন ও জেরুজালেম—দুই পক্ষই লেবাননকে এই সমঝোতার বাইরে রাখার পক্ষেই ছিল বলে জানা গিয়েছে।
প্রবল ঝড়বৃষ্টি চলছে জেলায় জেলায়। সেই কারণে হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার সময় পরিবর্তিত হলো। সাড়ে ১০টার পরিবর্তে সাড়ে ১১টায় সভায় পৌঁছতে পারেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।
আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিন জায়গায় বিধানসভা ভোটের প্রচারে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভোটের দিন ঘোষণার পরে এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় বঙ্গসফর। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথম জনসভা হবে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া টাউনশিপে। দ্বিতীয় সভা হবে আসানসোলের পোলো গ্রাউন্ডে। তৃতীয় জনসভা হবে সিউড়ির চাঁদমারি মাঠে। এর আগে ৫ এপ্রিল কোচবিহারে জনসভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
ভোট দিলেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। কুন্নুরে ভোট দিয়েছেন তিনি।
অসম, কেরালা এবং পুদুচেরির বিধানসভা ভোটের সঙ্গেই উপ-নির্বাচন হচ্ছে তিন রাজ্যে। কর্নাটকের দাভাঙ্গেরে দক্ষিণ ও বাগলকোট , নাগাল্যান্ডের কোরিদাং এবং ত্রিপুরার ধর্মনগর আসনে বিধানসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
সবাইকে ভোট দিতে আসার জন্য আবেদন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। অসমের ১২৬টি আসনে সবাইকে উৎসবের মেজাজে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া আহ্বান জানালেন তিনি। একই আবেদন করেছেন পুদুচেরি এবং কেরালার বাসিন্দাদেরকেও।
৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অসম, কেরালা এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। অসমের ১২৬টি, কেরালার ১৪০টি এবং পুদুচেরির ৩০টি বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। সকাল থেকেই বুথে বুথে মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। শেষ হবে বিকেল ৫টায়। আজ এই তিন রাজ্যে মোট ৫.৩ কোটি ভোটার ভোট দেবেন। ভোটের ফল প্রকাশিত হবে ৪ মে।
১০ এপ্রিল, শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে কালবৈশাখী পরিস্থিতি বজায় থাকবে, এমনটাই জানাল আবহাওয়া দপ্তর। চলবে শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত এবং দমকা ঝোড়ো হাওয়াও। হিমালয়ের পাদদেশ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অক্ষরেখা এবং একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজ্যে নিম্নচাপ রেখা তৈরি হয়েছে। এর জেরেই বাড়ছে বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রবণতা। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আজ ও কাল বিক্ষিপ্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও শুক্রবার পর্যন্ত দুর্যোগ চলবে।